ভাবতে পারিনি আরমান ভাইয়ের সাথে আমার বিয়ে টা এইভাবে হয়ে যাবে।এটা যেন একটা স্বপ্নের মতো।হ্যাঁ,জেগে,,,
ভাবতে পারিনি আরমান ভাইয়ের সাথে আমার বিয়ে টা এইভাবে হয়ে যাবে।এটা যেন একটা স্বপ্নের মতো।হ্যাঁ,জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা যাকে বলে।আমি কখনো ভাবতে পারিনি যেই লোকটাকে আমি সবসময় এড়িয়ে চলতাম।যার সামনে কথা বলতে গেলে বুকের ভেতরটা ধরফরিয়ে উঠত।যার একটা ধমকে পুরো শরীর কাঁপতে লাগতো সেই লোকটা এতদিন যাবৎ মনে মনে আমাকেই চেয়ে এসেছে।ভাবতেই অবাক লাগছে যে,উনি নিজে আমায় বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন।বাড়ির সবার সামনে উনি বিনা সংকোচে আমায় বলেছিলেন,উনি আমায় বিয়ে করতে চান।কথাটা শোনার পর কিছু মূহুর্ত আমি ফ্রিজ হয়ে ছিলাম।বুকের হৃদপিন্ড টা কাজ করাই বন্ধ করে দিয়েছিল।আমার আশেপাশে থমকে গিয়েছিল পুরো পৃথিবী।নিজেকে সামলে যখন বাড়ির সবার দিকে তাকালাম,বুঝলাম তাঁদের অবস্থা ও আমার মতোই।পুরো বাড়িটাতে কিছুক্ষণের জন্য নিরবতা ছেয়ে গিয়েছিল।যখন নিরবতা ভাঙল,তখন যেন বাড়িতে হই হুল্লোড় পরে গেল।সকলের ভাব এমন ছিল যেন কোনো অকল্পনিয় কিছু তারা মুঠোয় পেয়ে গেছে।তাদের এই খুশির ফলাফল,আজ আমি আরমান ভাইয়ের বউ!কেউ আমায় একবার জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন ও বোধ করেনি যে,আমি এই বিয়েতে রাজি কি না!যদিও আমার উত্তর তাঁদের বিরুদ্ধে হতো না। রাত এগারো বেজে তেত্রিশ মিনিট।আমি আরমান ভাইয়ের ঘরে বসে আছি।মুখের ওপর লম্বা ঘোমটা বিরাজমান।মনের ভেতর কত শত অজানা অনুভূতিরা ঢেউ খেলিয়ে যাচ্ছে।আমি কখনোই ভাবিনি,আমি উনার ঘরে কোনো একদিন বউ বেশে বসে থাকবো।উনি এসে আমার ঘোমটা তুলবেন।ইসস কি লজ্জা!পরিচিত সেই মানুষটাকে একদম নতুন রুপে দেখার জন্য মন আকুলতায় ভরে উঠেছে। তবে এই আকুলতার মাঝেও গরম টা একটু বেশিই লাগছে।মাথার ওপর পুরো দমে ফ্যান চলছে।কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না এতে।আমি মুখের ওপর থেকে ঘোমটা টা সরিয়ে নিলাম।প্রচন্ড ভাবে ঘেমে গেছি আমি।নিশ্চয়ই আমার মেকাপ টাও নষ্ট হয়ে গেছে।ধুর!এতো সুন্দর করে সেজে যদি আরমান ভাই ই না দেখলো তাহলে সেজে কি হলো?আমি তাড়াতাড়ি বেড থেকে নেমে গিয়ে দক্ষিণের জানালাটা খুলে দিতেই এক দমকা হাওয়া এসে আমার পুরো শরীর শিহরিত করে দিল।আর ঠিক তখনই দরজা খোলার শব্দে বুকের ভেতর টা ধক করে উঠল।তবে কি আরমান ভাই এসেছেন!বুকের ভেতর সেই অজানা অনুভুতি রা আবার গেঁথে বসল।এই মূহুর্তে উনার দিকে তাকানোর সাহস আমার নেই।তাই মাথা নিচু করে ঘুরে দাড়ালাম।তারপর ধীরে ধীরে উনার কাছে গিয়ে উনাকে সালাম করতে যাবো তখনই উনি বলে উঠলেন, "দাঁড়া,এসব আদিখ্যেতার কোনো প্রয়োজন নেই।যা আগে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আয়।"উনার এই কটাক্ষ পূর্ণ কথা শুনে আমার মনের মধ্যে একটু একটু করে জন্ম নেওয়া অনুভূতি গুলো ভেঙে চুরচুর হয়ে গেল।আর তার জায়গায় একরাশ অভিমান জমা হলো।আজ এরকম একটা রাতেও উনি আমার সাথে এই ভাবে কথা বলছেন!কেন, একটু ভালো করে কথা বললে কি হয়?অভিমানি দৃষ্টিতে মাথা নিচু থাকা অবস্থাতেই উনার দিকে আড়চোখে একপলক তাকিয়ে একটা ভেঙচি কেটে আলমারির দিকে চলে গেলাম।বিয়ের আগেই আমি উনার আলমারির অর্ধেক অংশ নিজের অধিকারে করে নিয়েছি।কিছু দিন আগেই বড় মা আমার জন্য এত্তগুলো শাড়ি কিনে এই আলমারিতে রেখে দিয়েছে।আমি এখান থেকেই একটা লাল শাড়ি নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলাম।ফ্রেশ হয়ে ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে দেখি আরমান উনার পড়ার টেবিলে বসে বই পরছেন।নীল পাঞ্জাবী আর সাদা কুর্তি পরে রয়েছেন।তারমানে উনিও ফ্রেশ হয়েছেন।নিশ্চয় আরিফ ভাইয়ার ঘর থেকে ফ্রেশ হয়ে এসেছেন।আমি আর ওতশত না ভাবে উনার সামনে গিয়ে দাড়ালাম।মাথা নিচু করে দুই হাতে শাড়ির আঁচল মোচরাচ্ছি।কিন্তু এই লোকটা একবারের জন্যও আমার দিকে তাকাচ্ছে না।দুই হাত উঁচু করে বই মুখের সামনে ধরে আছেন।এই যে উনার সামনে সদ্য বিয়ে করা বউ দাঁড়িয়ে আছে তাতে কি কোনো ভ্রুক্ষেপ আছে উনার।ধীরে ধীরে আমার রাগ বাড়তে লাগল।রেগে মেগে কিছু বলব তখনি উনি বইয়ের দিক থেকে নজর সরিয়ে আমার দিকে তাকালেন।আমি রাগী দৃষ্টিতে উনার দিকে তাকিয়ে রইলাম।কিন্তু উনি সেই দৃষ্টি উপেক্ষা করে ভ্রু কুঁচকে বলে উঠলেন,"কি হলো,দাঁড়িয়ে আছিস কেন বস।দুদিন যাবৎ তোর পড়া লেখার অনেক ঘাটতি হয়েছে।আজ সবগুলো ঘাটতি মিটিয়ে দিবি।"বলেই আবার বইয়ে মুখ গুজল।আর আমি অবাক চোখে উনার দিকে তাকালাম।এখন আমি পরতে বসব।বাসর রাত নিয়ে দেখা কত কল্পনা জল্পনা এখন এই পড়া লেখার জন্য মাটি চাপা পরবে।এজন্যই বলি এই পড়ালেখা আমার শত্রু।জাত শত্রু হুহ! "কি হলো দাঁড়িয়ে আছিস কেন,বস।"আমি আরমান ভাইয়ের দিকে রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে ধপাস করে পাশে থাকা চেয়ার টায় বসে পরলাম।তারপর,টেবিলের দিকে তাকাতেই বুঝলাম বিয়ের আগেই আমি শুধু উনার আলমারিই নয় উনার টেবিলে অর্ধেকাংশ ও দখল করে নিয়েছি।যেটা আমি নিজেও জানতাম।উনার বইয়ের টেবিলের অর্ধেক অংশ জুড়ে শুধু আমার বই।এগুলো উনি কখন এনেছেন আমি নিজেও জানিনা।জানবোই বা কি করে?বইয়ের খবর আমি থরাই রাখি!আমি বইয়ের পাহাড় থেকে একটা ইংলিশ বই বের করে ঠিক উনার মতোই মুখের ওপর তুলে ধরলাম।পরবো না ছাই।আমার বাসর নষ্ট করা তাই না!শয়তান আমি তোকে অভিশাপ দিচ্ছি তোর বাসর কখনো হবেনা।আর হলেও তোর বউ তোকে ছেড়ে চলে যাবো হুম। এইজন্য ই মাস্টারদের কখনো বিয়ে করতে নেই।এরা সবসময়ই আনরোমেন্টিক হয়ে থাকে।দেখ না,এখনো কেমন বইয়ের মধ্যে মুখ গুঁজে রয়েছে।গন্ডার কোথাকার।এই সকল ভাবনার মাঝে আমি অনুভব করলাম কেউ আমার বই টেনে ধরেছে।ভালোভাবে দেখতেই বুঝলাম আরমান ভাই আমার হাত থেকে বই টা টেনে নিয়ে সেটা সোজা করে আমার হাতে ধরিয়ে দিল।"পড়ার সময় বই সবসময় সোজা করে ধরতে।

নিজের বিয়ে করা স্বামীর কাছে সতীত্ব হারিয়ে ডুকরে কেঁদে উঠে সায়রা♥️সেই স্বামী এখন আবার তাকে স্ত্রীর...

#কোন_সুতোয় _বাধঁবো_ঘর🍁অসাধারণ এক হৃদয়ছোঁয়া গল্প 🍁belief |heart touching story#motivation#sad#love

Bangla Romantic Story | Love & Motivation | Heart Touching Golpo | Motivation Story

চার বছর বছর আগে যার জন্য আমি অশ্রুপাত করেছিলাম,♥️যে আমাকে বিয়ের আসরে ফেলে চলে গিয়েছিল,তার কথা লোকের

পার্কের একটি বেঞ্চের উপর অনেক্ষণ যাবত বসে আছে নুপুর ও রাজ । রাজ সেই কখন থেকে বকবক করে যাচ্ছে, কিন্তু

অত্যাচারী কাজিন যখন ডেভিল বর||সকল পর্ব||Romantic Love Story||Voice:Joy-Meher||Joy এর গল্পের শহর

ASMR Best Triggers For Sleep Collection (No Talking) 3 Hours of Tapping & Scratching

নিজের বেস্টফ্রেন্ডের বাসর ঘরে তার বদলে বধূ বেশে জড়োসড়ো হয়ে বসে রয়েছি আমি! আজ এখানে যার বধূ বেশে,

খোদ পুলিশই যখন খু*নি! মহারাষ্ট্রের কাঁপানো অশ্বিনী বিড্রে কেস

দেড় বছরের চুক্তিতে বিয়ে করতে হবে আমাকে। তার বিনিময়ে আপনার যতো লক্ষ টাকা লাগে আমি দিবো সমস্যা নেই,,,

বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত সব আত্মীয়ের সামনে তারার গালে পর পর দুইটা থাপ্পড় মে'রে নয়ন চ্যাঁচিয়ে বলে উঠল,,,,

ঘুমের মধ্যে কেউ চুলের মুঠি চেপে ধরতেই হকচকিয়ে ঘুম ছুটে গেলো আমার। ঘুমঘুম চোখে তাকানোর আগেই প্রচন্ড,,

বিয়ের তিন বছর পর নিজের স্বামীকে নিজ চোখে দেখলাম❤️ Emotional & heart touching story Bangla l Bengali

হাতে ডিভোর্সের চিঠিটা নিয়ে উকিলের চেম্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো অর্নি। পেছনে ফিরে,,

প্রথমদিন শ্বশুর বাড়িতে এসেই বুঝলাম, আমার স্বামী মহাশয় আমাকে ঠিক পছন্দ করেননি! তার হাবভাবে বেজায়,,,,,

অসাধারণ একটি গল্প || গয়নার বাক্স ||motivational story Bangla || Bengali audio story || Bangla story

মরিয়ম বেগম বাড়ির সব সদস্যদের খাইয়ে দিয়ে লতাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, -- মেজো বউমা! -- জ্বী মা। --

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলের রহস্যময় ভালোবাসা/All part/Voice:Himu & Shonalika/Romantic love story golpo

আজকের Powerful Surah Evil Jinn Protection & Problem Solve InshaAllah By Alaa Aqel

