প্রথমদিন শ্বশুর বাড়িতে এসেই বুঝলাম, আমার স্বামী মহাশয় আমাকে ঠিক পছন্দ করেননি! তার হাবভাবে বেজায়,,,,,
প্রথমদিন শ্বশুর বাড়িতে এসেই বুঝলাম, আমার স্বামী মহাশয় আমাকে ঠিক পছন্দ করেননি! তার হাবভাবে বেজায় বিরক্তের প্রকাশ, আমার সঙ্গে কথা বলা তো দূর,ফিরে তাকাতেও একরাশ অরুচি যেন! আমি মনমরা হয়ে একলা একলা বসে রইলাম রাত একটা অবধি। স্বামী নামক প্রাণীটির ছায়ার চিহ্নটাও দেখতে পেলাম না। চতুর্থ দফায় হাই তুলতে যাবো,ঠিক তখনই একটা লম্বা কালো অবয়ব ঘরের ভেতর প্রবেশ করলো। আমি ঘোমটার তলেই থমকে গেলাম। ভয়ে হাত-পা নিশপিশ করতে লাগলো, বুকের ভেতর হাতুড়ির বারি,মনে হচ্ছে এই বুঝি বেরিয়ে গেল রুহটা....নিজেকে আরও গুটিয়ে নিয়ে মনে মনে আল্লাহকে ডাকতে শুরু করলাম। লম্বা ঘোমটা থাকার কারণে তার চেহারা আমি দেখতে পেলাম না। তার পায়ের গতি দেখেই বুঝলাম, অনেকটা জোরের মুখে পড়েই আসতে হলো এঘরে। নিমিষেই মন খারাপ বেড়ে আকাশ ছুঁলো আমার! কী এমন কারণ? আমাকে মানতে পারছে না কেন সে! আমাদের বৈবাহিক ঘটনাটা সম্পূর্ণ পারিবারিক ভাবেই ঘটেছে। যেভাবে আর আট-দশটা মেয়েকে লোকে দেখতে যায়,সেভাবেই আমাকে দেখতে এসেছিল এনারা। এরপর পছন্দ,গুরুজনদের আলাপ-আলোচনা,দীর্ঘ দেড় মাস জুড়ে বিয়ের আয়োজনের পর আজ কাঙ্ক্ষিত দিনটি হাতে পেলাম। পাত্র-পাত্রীকে আলাদা ভাবে কথা বলতে দেওয়ার নিয়মটা আমাদের বেলায় না ঘটলেও তাকে জিজ্ঞেস করার সুযোগ পেয়েছিলাম অন্তত, আমাকে কী পছন্দ হয়েছে আপনার? উত্তরে তিনি বলেছিলেন, 'এখানে অপছন্দের কিছু নেই!' এইটুকু বলেই উনি ফোন কেটে দিয়েছিলেন। আমি ধরে নিয়েছিলাম লজ্জা,এখন মনে হচ্ছে সংকোচ। হয়তো আমাকে দারুণ অপছন্দ তার,মুখ ফুঁটে বলতে পারেনি আমি কী ভাববো এই ভেবে! সাতপাঁচ চিন্তারা মগজটাকে ঘোলাটে করে তুলছে। ছোট্ট দম ফালাবো- ঠিক এমন সময়েই উনার রুক্ষ কণ্ঠস্বর আমাকে কাঁপিয়ে তুললো।'ফ্রেশ হয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন।' কথাটি স্বাভাবিক, সহজ-সরল, বেশ ভদ্রতার সঙ্গে বলা- অথচ ভীষণ কাঠিন্য যোগ করা। আমি বিস্মিত হয়ে রইলাম। কোনোভাবে মাথা হেলিয়ে 'হ্যাঁ' উত্তর প্রদানের সঙ্গে সঙ্গেই তিনি বেরিয়ে গেলেন ঘর ছেড়ে। আমি মূর্তির ন্যায় জমাট তখনো.... একটু একটু করে রাত বাড়ছে। একসময় ফুরিয়ে যাবে হাওয়াই মিঠাইয়ের মতোন, ফুঁটে উঠবে আলোকিত আকাশ। যেখানে চাইলে দুনিয়ার সব কষ্ট উবে যায়। ওই আসমানের কোথাও বসে আছেন যিনি, যার হুকুমে চলছে গোটা পৃথিবী, তিনি আমাকে দেখছেন,শুনছেন,আমার কষ্ট আর যন্ত্রণা গুলো উপলব্ধি করতে পারছেন। এই-তো ঢের! নিজেকে স্বান্তনা দেওয়ার জন্য এরচেয়ে বড় জাদুবাণী আর হয় না। আমি গোসল শেষে ফজরের নামাজ আদায় করে বারান্দায় এসে দাঁড়ালাম। কোমর সমান চুলগুলো মেলে গামছাটা তুলে নিলাম অন্য হাতে। ভোরের আলো ফুঁটেছে কিছুক্ষণ মাত্র। এরই ভেতর চারপাশ ফকফকে হয়ে উঠেছে। বাতাসে বিশুদ্ধতার ঘ্রাণ, গতকাল সারারাত একলা কেঁদেকেটে ঘুমোনোর অসহ্য ব্যথাটা এখন আর তাড়া করে বেড়াচ্ছে না এত। মনটা হালকা লাগলেও মুখটা ভার তখনো। আমার ভার মুখখান আরও ভার হলো পাশের বারান্দায় নজর পড়তেই। সেখানে এলোমেলো ভাবে উড়ছে ক্রিম রঙের শেরওয়ানিটি। এটিই গতকাল বিয়ের সময় আমার স্বামী পরে ছিলেন। সারারাত উনি আসেননি। তবে কী পাশের রুমেই ঘুমিয়েছিলেন! কিন্তু কেন এমনটা করছেন যখন আমাকে বিবাহ করতে কোনো সমস্যাই ছিল না উনার! তাহলে বিয়ের পর কেন আমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন! আমার থেকে দূরে দূরে থাকছেন। দুটো কথা বলছেন না,ভুল করে আমার চোখে চোখ পড়ামাত্র ফিরিয়ে নিচ্ছেন। কী লুকোতে চাইছেন উনি? কোনো মিথ্যা কথা নাকী ঘৃণিত অপরাধ? আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। কানের পাশ ঘেঁষে এক চিলতে বাতাস উড়ে গেল, আমি সম্বিৎ ফিরে পেলাম। বুক চিঁড়ে বেরিয়ে আসা দীর্ঘশ্বাসকে আমি কোনোভাবেই আঁটকে রাখতে পারলাম না বরং সেকেন্ডের ব্যবধানে আমার চিত্ত অস্থির হয়ে উঠল। নিজেকে স্বাভাবিক রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করলাম। এ যেন নিজের সঙ্গে নিজেরই মৌন যুদ্ধ! ছোট বেলা থেকে বাবা-মায়ের ভীষণ আদরে বড় হওয়া আমি স্বামীর অবহেলার পাত্রী- তাও প্রথম দিনেই! একদমই বিনা কারণে... আফসোস টা এখানেই। অন্তত একবার আমাকে উনি বলতেন, আমি নিজে থেকে বিয়েটা ভেঙে ফেলতাম। আমার আব্বা-আম্মা কখনোই আমার অসম্মতিতে বিয়ে দিতেন না। মনের ভেতর থেকে কে যেন উঁকি মারলো। নরম মনের আমি একমুহূর্তেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম, এই অবহেলা এবং দূরত্ব'র পেছনের কারণটা খুঁজে বের করব। যদি আমাদের ভেতর তৃতীয় ব্যক্তি থেকে থাকে তবে আমি বেরিয়ে আসবো। আমিই হয়তো উনার এবং অন্য কারো ভেতরে তৃতীয় ব্যক্তি হয়ে গেছি! দরজায় টোকা পড়ল। চোখ মেলে ঘড়িতে সকাল আটটা আবিষ্কার করলাম। দ্রুততার সঙ্গে নিজেকে গুছিয়ে মাথায় আঁচল টেনে দরজা খুললাম। আমার স্বামীর মামাতো বোন অধরা এবং আমার ননাশ শাহরিন আপু দাঁড়িয়ে। তারা আমাকে নিতে এসেছেন। আমি স্মিতহাস্যে বেরিয়ে এলাম। আসার সময় অধরা আমার গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়াল। ফিসফিসিয়ে জিজ্ঞেস করল, 'চুল ভেজা কেন ভাবী?'আমি প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়েও দিলাম না। তার ঠোঁটে দুষ্টু হাসি। আমার কাছে এর কোনোই উত্তর নেই। মলিন মুখের মৃদু হাসিখানা ছুঁড়ে দিয়ে আমি গটগটিয়ে এগিয়ে চললাম।***সারাদিনে কোনোপ্রকার কাজ না করলেও এখন বেশ ক্লান্ত আমি। কিছুক্ষণ আগেই সকল মেহমানদের বিদায় হয়েছে। বাড়িতে এখন আমি, আমার শ্বাশুড়ি, আমার দেবর লাবিব এবং আমার স্বামী। ওহ! এতক্ষণেও তার নামটা আমি উল্লেখ করিনি। মহাশয়ের নাম প্রহর। উনারা সৈয়দ বংশের, আর আমার নাম রূপ, ছোট্ট সোজা একটি নাম 'রূপ'। আমিও

দেড় বছরের চুক্তিতে বিয়ে করতে হবে আমাকে। তার বিনিময়ে আপনার যতো লক্ষ টাকা লাগে আমি দিবো সমস্যা নেই,,,

হাতে ডিভোর্সের চিঠিটা নিয়ে উকিলের চেম্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো অর্নি। পেছনে ফিরে,,

গত দু মাস পর পর পিরিয়ড মিস্ করার পরই আমার সন্দেহ হলো।এরপর যখন খাওয়ায় অরুচি আর বমি শুরু হলো তখন,,,

গল্প: স্ত্রীর লড়াই || heart touching story Bangla ll Bengali story ll bangla audio golpo

Forgive me, world 💔 I couldn't bear the betrayal of the man I loved, so I said goodbye

বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত সব আত্মীয়ের সামনে তারার গালে পর পর দুইটা থাপ্পড় মে'রে নয়ন চ্যাঁচিয়ে বলে উঠল,,,,

নিজের বেস্টফ্রেন্ডের বাসর ঘরে তার বদলে বধূ বেশে জড়োসড়ো হয়ে বসে রয়েছি আমি! আজ এখানে যার বধূ বেশে,

ঘুমের মধ্যে কেউ চুলের মুঠি চেপে ধরতেই হকচকিয়ে ঘুম ছুটে গেলো আমার। ঘুমঘুম চোখে তাকানোর আগেই প্রচন্ড,,

সকালে রান্নাঘরে চুলোয় চা বসিয়েছি তখনই রান্নাঘরে আমার শাশুড়ি এলেন।এসে বললেন,' তোমার চাচাতো বোন ,,

আমার পিরিয়ড চলছে অভ্র ”– এই কথা বলে আজ পরাপর দুই রাত নিজেকে অভ্রর থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছি আমি। যদিও,,

মন ছুঁয়ে যাওয়া গল্প | অবহেলার দিনগুলি 💔 Heart touching story | Emotional story | Sad story #betrayal

"আমি কখনো মা হতে🌷পারবো না এটা জেনেও কি আপনি আমাকে বিয়ে করতে চাইবেন মিস্টার আহান??"

নিষিদ্ধ / Bangla Choto Golpo / Bengali Short Story

যাকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য ৮ বছর পর বাড়ি এসেছি,,তাকে প্রথম দেখেই প্রেমে পড়েছি❤️ Best romantic story

একটা বাচ্চাকে ঠিক মতো খাওয়াতে পারো না। আবার আরেকটা পেটে নিলে কীভাবে? তোমাদের এতো সখ আর ঢং দেখে,,,

#Husband's_Second_Marriage॥ An Educational and Inspirational Story of Domestic Life॥

Bengali Audio Story || Nilufar's Family || Heart-touching Emotional Romantic Audio Story

লাল বেনারসি শাড়ি পরে বউ সেজে রাস্তা দিয়ে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে যাচ্ছে এক রমণী হঠাৎ করে, একটা গাড়ির,,

অফিস রুমের ভেতরে ঢুকতেই চারপাশের পরিবেশ আরও ভারী হয়ে উঠলো। রুম জুড়ে... #viralvideo

