হাতে ডিভোর্সের চিঠিটা নিয়ে উকিলের চেম্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো অর্নি। পেছনে ফিরে,,
হাতে ডিভোর্সের চিঠিটা নিয়ে উকিলের চেম্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো অর্নি। পেছনে ফিরে একপলক তার হাসবেন্ড আরাফের দিকে তাকালো। আরাফ শান্ত চোখে তাকিয়ে আছে তার দিকে। দুজনের চোখাচোখি হতেই একটা মুচকি হাসি দিয়ে অর্নি আবার ফিরলো সামনের দরজাটার দিকে। মুচকি হাসিটা একটু প্রশস্ত করে সে এডভোকেট শাহানার রুমে ঢুকে পড়লো। রুমে প্রবেশ করতেই মিসেস শাহানা উঠে দাঁড়িয়ে সবিনয়ে অর্নিকে বসতে অনুরোধ করলেন। মিসেস শাহানার এসিস্ট্যান্ট লিপি দ্রুত পায়ে এসে তাকে একটা চেয়ার এগিয়ে দিলো।সেও ধন্যবাদ বলে চেয়ারটাতে বসতে বসতে মিসেস শাহানাকে বললো:"আপনার নিশ্চয় মনে আছে ডিভোর্সের জন্য দরখাস্ত করেছিলাম।তারা আমাকে একটা চিঠি পাঠিয়েছেন।"এই বলে তার হাতে থাকা খামটা মিসেস শাহানার সামনে থাকা টেবিলে রাখলেন। মিসেস শাহানা চিঠিটা হাতে নিয়ে একবার পড়লেন। তারপর বিচলিত কন্ঠে বললেন:ম্যাম,আপনি কি এখনো আপনার সিদ্ধান্তে অটল? মানে আপনি সত্যি সত্যি ডিভোর্স চাইছেন? মিসেস শাহানার কথায় অর্নি তার দিকে একবার তাকালো। মুচকি হাসির রেখাটা আবারো মুখে এনে বললো: আমি আমার সিদ্ধান্তে অটল বলেই তো আপনার কাছে এসেছি। যদি সিদ্ধান্ত বদলে ফেলতাম তাহলে নিশ্চয় হানিমুনে যাওয়ার প্ল্যান করতাম।অর্নির এমন ছেলেমানুষী কথায় মিসেস শাহানা অবাক হলেন।চিঠিটা আবার তিনি হাতে নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর আড়চোখে অর্নিকে পর্যবেক্ষণ করলেন।অর্নি তার দিকে তাকিয়ে আছে। মুখে এখনো মুচকি হাসির ছাপটা স্পষ্ট। শুধু এখন নয়। মিসেস শাহানার সাথে যতোবার অর্নির দেখা হয়েছে সবসময় তিনি অর্নির মুখে মুচকি হাসির একটা ঝলক দেখতে পান। কেমন জানি এক রহস্যময় হাসি!কখনো যেন সেই হাসিটা বন্ধ হওয়ার নয়।হাসিটা দেখে মিসেস শাহানা মনের মধ্যে সাহস জোগালেন। একটু ইতস্তত করে বললেন:যদি কিছু মনে না করেন একটা কথা বলি?_একটা কেন?হাজারটা কথা বলতে পারেন।আই ডোন্ট মাইন্ড।তার কথায় মিসেস শাহানার সাহসটা আরেকটু বাড়লো। গোছানো ভাষায় বললেন: মানুষ হিসেবে আমরা সবাই সম্পর্কের বেড়াজালে আবদ্ধ।একঘরে যখন দুজন মানুষ নতুন করে জীবন শুরু করে তখন বিভিন্ন বিষয়ে মনোমালিন্য হতে পারে। সময়ের সাথে সাথে সম্পর্ক দৃঢ় হলে ধীরে ধীরে মেলামেশা হয়ে যায়। তবে একটু অপেক্ষা করতে হয়। এখন আপনি যদি অপেক্ষা না করে বিয়ের ছয় মাসের মাথায় ডিভোর্স চান তাহলে কিভাবে হয়? আমার দৃষ্টিতে আপনি একজন ম্যাচিউর মানুষ। আপনার হাতে আমাদের জেলার পুরো বিচার বিভাগ ন্যস্ত। আপনার তো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দুবার ভাবা উচিত।মিসেস শাহানার কথায় অর্নি শব্দ করে হাসলো। একটু পর হাসি থামিয়ে বললো: আমাদের বিয়ের এখনো চার মাস চলছে।ছ'মাস হতে আরো বিস্তর সময় বাকি আছে। কথাটা শুনে মিসেস শাহানার রাগ হলো। তবু নিজেকে শান্ত করে বললো:ম্যাম আপনি কি আমার সাথে মজা করছেন? _আরে না না। আপনাকে সঠিক ইনফরমেশনটা দিচ্ছি। _ম্যাম আপনাকে বারবার বলছি। সংসার জীবনটাকে গোছাতে একটু সিরিয়াস হোন। দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে। _আমি সব ঠিক করতে চাইছি বলেই ডিভোর্সটা চাই। আপনি দ্রুত ডিভোর্সটা কার্যকর করার চেষ্টা করুন। দরকার হলে ডাবল পেমেন্ট করবো আপনাকে। আমার হাতে আর সময় নেই। আজ উঠতে হবে।ভালো থাকবেন।কথাটা বলেই সে উঠে হনহন করে বেরিয়ে গেলো। মিসেস শাহানাকে কোনো কথা বলার সুযোগ পর্যন্ত দিলো না। শাহানা বোকার মতো অর্নির যাওয়ার পানে তাকিয়ে আছে এখনো। অর্নি শাহানার চেম্বার থেকে বের হয়ে দাঁড়ালো।তার স্বামী আরাফও কোর্টে এসেছে আজ।তার পক্ষের উকিলের সাথে কথা বলতে। অর্নি নিজে আরাফকে তার পক্ষের জন্য উকিল ঠিক করে দিয়েছে।আজ দুজনে বাসা থেকেও একসাথে এসেছে কোর্টে। কিন্তু অর্নি মিসেস শাহানার চেম্বারে ঢুকে গেলেও আরাফ দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল কোনো এক মেয়ের জন্য। মেয়েটা কে তা অবশ্য অর্নি জানে।আরাফের এক্স গার্লফ্রেন্ড এবং হবু স্ত্রী "জুঁই"। জুঁই আসতে দেরি করায় আরাফের উকিলের রুমে যেতে একটু দেরি হয়েছে।অর্নি সিদ্ধান্ত নিলো আরাফের জন্য অপেক্ষা করবে। তারপর দুজনেই আবার একসাথে বাড়ি ফিরবে যেহেতু আসার সময় তারা একসাথে এসেছে। তাছাড়া জুঁইয়ের সাথেও আলাপ করা হয়ে যাবে। জুঁইকে আগে থেকেই সে চিনতো আরাফের গার্লফ্রেন্ড হিসেবে কিন্তু কখনো কথা হয়নি।আজ দুজনের আলাপ করাও হয়ে যাবে। রাস্তার একপাশে আরাফের গাড়িটা দাঁড় করানো আছে।অর্নি একপলক সেদিকে তাকাতেই টুপ করে চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়লো। সেই ছোট্ট বেলা থেকেই আরাফ তার জীবনের একটা অংশ হয়ে আছে। তার জীবনের প্রথম পুরুষ যাকে একপলক দেখার জন্য অর্নি কতো বাহানা করতো,কতো পাগলামি করতো, মায়ের কাছ থেকে কতো বকা শুনতো।আজও সে একইভাবে অনেক বাহানা, পাগলামি করছে কিন্তু সেটা আরাফকে ছেড়ে যাওয়ার জন্য।তার জীবন থেকে উপড়ে ফেলার জন্য।চাইলেই তাকে জীবন থেকে উপড়ে ফেলা যাবে না। তাছাড়া সে আরাফকে উপড়ে ফেলতে চায়ও না।আরাফ আজীবন থাকুক তার হৃদয়ে কিন্তু অপূর্ণতার চিহ্ন হয়ে।

তুমি_আছো_হৃদয়ে 💙||১ম অংশ||এইচএসসি পাশ করেছে,যথেষ্ট পড়াশোনা হয়েছে।এবার বিয়ে থা দিয়ে বিদায় করো।

একটা বাচ্চাকে ঠিক মতো খাওয়াতে পারো না। আবার আরেকটা পেটে নিলে কীভাবে? তোমাদের এতো সখ আর ঢং দেখে,,,

অসাধারণ একটি গল্প || নীল উত্তাপ || Bengali emotional heart touching story || Bangla audio story

নিজের বেস্টফ্রেন্ডের বাসর ঘরে তার বদলে বধূ বেশে জড়োসড়ো হয়ে বসে রয়েছি আমি! আজ এখানে যার বধূ বেশে,

আমাদের ডিভোর্সের আট বছর পর, আমার প্রাক্তন স্বামীর সাথে আমাদের কলেজের পুনর্মিলনীতে দেখা।

প্রথমদিন শ্বশুর বাড়িতে এসেই বুঝলাম, আমার স্বামী মহাশয় আমাকে ঠিক পছন্দ করেননি! তার হাবভাবে বেজায়,,,,,

Alo is seven months pregnant. Her husband kicked her out after accusing her of infidelity 💔 #sad

এতো দেরিতে এসেছেন কেন ম্যাডাম? আপনারা কি কোনো খবর পাননি এখনো?কলেজের গেইটে প্রবেশ করার সাথে সাথে,,,

গত দু মাস পর পর পিরিয়ড মিস্ করার পরই আমার সন্দেহ হলো।এরপর যখন খাওয়ায় অরুচি আর বমি শুরু হলো তখন,,,

#এক_ফালি_রোদ্দুর # গল্পের ১ম অংশ # মারিয়া_রশিদ # "বাচ্চাটা এবোরশন করিয়ে নাও, সোনা মা আমার!"কথাটা..

বিয়ের পর যে মানুষটার নীলিমার ভাসুর হওয়ার কথা ছিলো, আজ সে তার স্বামী। হ্যাঁ, নিয়তির অদ্ভুত খেলায়♥️

যাকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য ৮ বছর পর বাড়ি এসেছি,,তাকে প্রথম দেখেই প্রেমে পড়েছি❤️ Best romantic story

অসাধারণ একটি রহস্যময় গল্প || প্রতিশ্রুতি || Bengali emotional heart touching story || Bangla story

আপু জানিস আজকে বড় ফুপিরা আসবেন।সাথে মেঝো ফুপি আর ছোট ফুপিও আসছে। কি যে মজা হবে। কতো দিন পর সবাই আবার

অসাধারণ এক হৃদয় ছোঁয়া কাহিনী🍁belief || heart touching bangla short story l #motivation #sad #story

বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত সব আত্মীয়ের সামনে তারার গালে পর পর দুইটা থাপ্পড় মে'রে নয়ন চ্যাঁচিয়ে বলে উঠল,,,,

সকালে রান্নাঘরে চুলোয় চা বসিয়েছি তখনই রান্নাঘরে আমার শাশুড়ি এলেন।এসে বললেন,' তোমার চাচাতো বোন ,,

দেড় বছরের চুক্তিতে বিয়ে করতে হবে আমাকে। তার বিনিময়ে আপনার যতো লক্ষ টাকা লাগে আমি দিবো সমস্যা নেই,,,

১৮ বছরের তিহুর বিয়ে হয়েছে সরকারি চাকুরীজিবি এক ছেলের সাথে কিন্তু সমস্যা তখনই হয়...

