ঘুমের মধ্যে কেউ চুলের মুঠি চেপে ধরতেই হকচকিয়ে ঘুম ছুটে গেলো আমার। ঘুমঘুম চোখে তাকানোর আগেই প্রচন্ড,,
ঘুমের মধ্যে কেউ চুলের মুঠি চেপে ধরতেই হকচকিয়ে ঘুম ছুটে গেলো আমার। ঘুমঘুম চোখে তাকানোর আগেই প্রচন্ড জুরে টান দিয়ে কেউ আমাকে উঠিয়ে বসালো। চোখ কচলে ভালো ভাবে তাকিয়ে বুঝতে পারলাম কাজটি কার। কিছু না বলে আবারও বিছানায় শরীর এলিয়ে দিলাম। সেটা সহ্য হলো না ব্যক্তিটির। আবারও চুলের মুঠি চেপে ধরে উঠে বসালো। আমি এবার মারাত্মক রেগে গিয়ে বললাম, 'কি সমস্যা?'তিনি চোখে মুখে বিস্ময় নিয়ে বললেন, 'কয়টা বাজে খেয়াল আছে?' ভার্সিটির প্রথম দিনে পড়ে পড়ে ঘুমোচ্ছিস।'তার এহেন প্রতুত্তরে আমি চমকে গেলাম। মাথা এলোমেলো হয়ে গেলো আমার। আজ আমার ভার্সিটির প্রথম দিন অথচ আজই আমি পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছি! চোখ মুখে অসহায়ত্ব ফুটিয়ে বললাম, 'কয়টা বাজে গো?' খুব বেশি দেরি হয়ে গেছে?'মহামান্য সেই ব্যক্তিটি রাগে গজগজ করতে করতে বললেন, 'তেমন দেরি হয়নি, রিকশা যদি পেয়ে যাস তো পৌঁছে যাবি জলদি।'আমি তাহার দিকে কৃতজ্ঞতা দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললাম, 'আজ তুমি যদি না তুলে দিতে তো আমি প্রথম ক্লাসটা মিস করে যেতাম। ধন্যবাদ তোমায় আমার মিষ্টি আপু।'আপু হেসে ফেললো। সে চলে যেতেই আমি তড়িৎ গতিতে ওয়াশরুমে চলে গেলাম। হাতমুখ ধুয়ে পাঁচ মিনিটে বের হলাম ফ্লাট থেকে বেনী গাঁথতে গাঁথতে। রিকশায় চেপে বসে ব্যাগ থেকে ক্রিম নিয়ে মুখে মেখে নিলাম। ঠোঁটে হালকা ম্যারিল দিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম কবে ভার্সিটিতে পৌঁছাবো।আমার অপেক্ষার অবসান হলো। বিশ মিনিটের ভিতরে ভার্সিটিতে প্রবেশ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। যাক ততোটা দেরি হয়ে যায়নি। এখনো মাঠে অনেক শিক্ষার্থীকে দেখা যাচ্ছে।আমি একজন স্মার্ট দেখতে আপুকে জিজ্ঞেস করলাম, 'ফাস্ট ইয়ারের ভবনটা কোন দিকে আপু?'তিনি প্রশ্ন করলেন, 'কোন ডিপার্টমেন্ট? ''অর্থনীতি আপু।'আপু হেসে বললেন, 'আরে কি তখন থেকে আপু আপু ডেকে চলেছো? আমি আর তুমি তো সেম ইয়ার সেম ডিপার্টমেন্ট।'আমি অবাক হতে গিয়ে হেসে ফেললাম। বললাম, 'বাহ্ ভালোই তো। যাক তাহলে সঙ্গী পাওয়া গেলো।'আমি বরাবরই অনেক মিশুক। যাকে এতোক্ষণ আপু বলছিলাম তাকে নিজ ক্লাসের জেনে আপু বাদ দিয়ে নাম ধরে ডাকতে লাগলাম। তাকে জিজ্ঞেস করতেই বললো তার নাম ইবনাত মুন। আমাকে জিজ্ঞেস করতেই আমি হেসে বললাম, 'তটিনী ইফফাত ঐশি।'মুন আমার নামের মারাত্মক প্রশংসা করল। দুজন একসাথে ডিপার্টমেন্ট খুঁজে নিয়ে সবার সামনের স্থানে বসলাম এক সাথে। কিছুসময় পর একে একে সব স্টুডেন্টরা নিজেদের জায়গা দখল করে নিলো। সবাই একে অন্যের সাথে পরিচিত হতে চেষ্টা করছেন। আমি ও মুন এরমধ্যে আরও দুই একজনের সাথে পরিচিত হয়ে নিলাম। একটা কালো চেক টিশার্ট পড়া ছেলের সাথে পরিচয় হলো, নাম মাহেন্দ্র। আমাদের বিপরীত ধর্মের সে। আরেকটা ছেলের সাথে পরিচয় হলো, নাম নোমান। সবশেষে পরিচয় হলো আরেকজন ছেলের সাথে তার নাম শিশির। আমরা যখন টুকটাক কথা চালিয়ে যাচ্ছিলাম তখনই স্যার প্রবেশ করলেন রুমে। সবাই নিজ নিজ জায়গায় বসে পড়লাম। স্যারের সাথে আরেকজন মধ্যবয়সী ব্যক্তি এসেছেন। তিনি সম্ভবত প্রিন্সিপাল। প্রিন্সিপাল স্যার আমাদের সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, ইনি হলেন তোমাদের ডিপার্টমেন্টের নতুন স্যার। আজই প্রথম ক্লাস তার।'নতুন স্যার নিজের পরিচয় দিলেন, 'হ্যালো বাচ্চারা আমি আপনাদের নতুন টিচার। রুদ্র ইরফান!'প্রিন্সিপাল স্যার আরও কয়েকটা কথা বলে চলে গেলেন। রুদ্র স্যার আমাদের সবার সাথে পরিচিত হতে চাইলেন। সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, 'সবাই একে একে নিজের নাম বলবেন। যেহেতু আজ প্রথম ক্লাস তাই আমরা ততোটা প্রেশার নিয়ে ক্লাস করবো না।'সবার আগে মুন উঠে দাড়ালো,হ্যালো স্যার আমি ইবনাত মুন।'রুদ্র ইরফান স্যার চমৎকার করে হাসলেন। উনার হাসি দেখে ফিসফাস শুরু হলো পিছনের সারিতে বসা মেয়েগুলোর মধ্যে। তাদের একটি কথা কানে আসলো, 'নতুন স্যারের হাসিটা তো জোস।'রুদ্র স্যার আমার দিকে তাকাতেই আমি উঠে বসলাম। মিশুক আমিটা অস্বস্তিতে ডুবে গেলাম আচমকা। স্যার তখনও আমার পরিচয় শুনার আশায় তাকিয়ে আছেন৷ আমি তীব্র অস্বস্তি নিয়ে বললাম, 'হ্যালো স্যার, আমি তটিনী ইফফাত ঐশি।'স্যার হেসে পিছনের সারিতে নজর দিলেন। একে একে সবাই পরিচয় দিলো। মাহেন্দ্রকে যখন পরিচয় জিজ্ঞেস করা হলো তখন সে বললো, 'আমি হলাম মাহেন্দ্র চক্রবর্তী। বাসা মিরপুর ১ এ। তখন স্যারকে চমকিত হতে দেখা গেলো। তিনি উৎসাহ নিয়ে বললেন, 'আপনার ভাইয়ের নাম সতেন্দ্র চক্রবর্তী না?'মাহেন্দ্র মাথা নাড়াতেই স্যার ঠোঁট প্রসারিত করে বললেন, 'আই সি আমি ও সত্য একসাথে গ্রেজুয়েট হয়েছি।'মাহেন্দ্র বিনিময়ে হাসি উপহার দিলো। সবার চোখ যখন নতুন সুদর্শন স্যারের দিকে আমার নজর তখন মাহেন্দ্রের মুখশ্রীতে। ছেলেটার মধ্যে কিছু একটা আছে। হাসলে অসম্ভব সুন্দর লাগে। ঠিক যেন মায়াবী পুরুষ। নাকি মায়াবতা?'সবার পরিচয় পর্ব শেষে স্যার যথারিতি ক্লাস নিলেন। ক্লাস টাইম শেষ হওয়ার পর স্যার যখন চলে গেলেন তখন মুন মৃদুস্বরে চেচিয়ে বললো, 'কি হ্যান্ডসাম স্যার দেখেছিস ঐশি?'বলা বাহুল্য আমাদের সম্মোধন তুই'য়ে নেমে এসেছে। আমি ওর কথার উত্তর না দিয়ে মাহেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে রইলাম। মাহেন্দ্র তখন তার পাশে বসা নোমান ও শিশিরের সাথে আলাপ করতে ব্যস্ত। আমার কোনো উত্তর না পেয়ে মুন আমার নজর বারবার দৃষ্টি দিলো। ও কি বুঝলো কে জানে। বললো, 'ওইদিকে তাকিয়ে লাভ হবেনা। ধর্মে অমিল ঐশি। তাই প্লিজ নিজেকে শুরু থেকেই সামলে নে। নাহলে পরে সমস্যা হবে।'আমি মলিন

এই কে!মন? ভা!লো!বা!সা||১ম অংশ|| কখনো কি শুনেছেন ভার্সিটির প্রথম দিনে কান 👂 ধরে এক পায়ে....

হাতে ডিভোর্সের চিঠিটা নিয়ে উকিলের চেম্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো অর্নি। পেছনে ফিরে,,

Bangla Romantic Story | Love & Motivation | Heart Touching Golpo | Motivation Story

গত দু মাস পর পর পিরিয়ড মিস্ করার পরই আমার সন্দেহ হলো।এরপর যখন খাওয়ায় অরুচি আর বমি শুরু হলো তখন,,,

নিজের বেস্টফ্রেন্ডের বাসর ঘরে তার বদলে বধূ বেশে জড়োসড়ো হয়ে বসে রয়েছি আমি! আজ এখানে যার বধূ বেশে,

Alo is seven months pregnant. Her husband kicked her out after accusing her of infidelity 💔 #sad

প্রথমদিন শ্বশুর বাড়িতে এসেই বুঝলাম, আমার স্বামী মহাশয় আমাকে ঠিক পছন্দ করেননি! তার হাবভাবে বেজায়,,,,,

অসাধারণ একটি রহস্যময় গল্প || প্রতিশ্রুতি || Bengali emotional heart touching story || Bangla story

আমাদের ডিভোর্সের আট বছর পর, আমার প্রাক্তন স্বামীর সাথে আমাদের কলেজের পুনর্মিলনীতে দেখা।

I am an MP, I cannot marry a girl 12 years younger than me ❤️ Bangla audio story

বিয়ে করবো কিন্তু🌷বাসর- বা বাচ্চা কাচ্চা চাইবে না মা। এই পিচ্চি মেয়েকে মেনে নিতে পারবো না...

অসাধারণ একটি গল্প || নীল উত্তাপ || Bengali emotional heart touching story || Bangla audio story

তুমি_আছো_হৃদয়ে 💙||১ম অংশ||এইচএসসি পাশ করেছে,যথেষ্ট পড়াশোনা হয়েছে।এবার বিয়ে থা দিয়ে বিদায় করো।

এই অভাগিনী সন্ধ্যাবেলায় পোলার বাড়ী থেইকা তোরে দেখতে আইব।এই লাল শাড়ীখান পইড়া নে 💔 Heart touching #sad

এতো দেরিতে এসেছেন কেন ম্যাডাম? আপনারা কি কোনো খবর পাননি এখনো?কলেজের গেইটে প্রবেশ করার সাথে সাথে,,,

আমার পিরিয়ড চলছে অভ্র ”– এই কথা বলে আজ পরাপর দুই রাত নিজেকে অভ্রর থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছি আমি। যদিও,,

৩ মাসের বাচ্চা পেটে নিয়ে আমার স্বামীর বাসায় কাজের মেয়ে হয়ে আসলাম❤️ অসাধারণ এক গল্প ll Bangla Golpo

করিডোরের এক কোণে ছায়াঘেরা অন্ধকারে তিথি একা দাঁড়িয়ে রাইনার অবস্থা ভেবে মনে মনে হাসছিল...

লাল বেনারসি শাড়ি পরে বউ সেজে রাস্তা দিয়ে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে যাচ্ছে এক রমণী হঠাৎ করে, একটা গাড়ির,,

