সকালে রান্নাঘরে চুলোয় চা বসিয়েছি তখনই রান্নাঘরে আমার শাশুড়ি এলেন।এসে বললেন,' তোমার চাচাতো বোন ,,
সকালে রান্নাঘরে চুলোয় চা বসিয়েছি তখনই রান্নাঘরে আমার শাশুড়ি এলেন।এসে বললেন,' তোমার চাচাতো বোন একটা আছে না, কি নাম যেন? জবা না কি জুঁই?'আমি বললাম,' জবা।' আমার শাশুড়ি এবার বললেন,'তার নাকি বিয়ে হয়ছে ষোলো বছর হয়ছে, এখনও বাচ্চা কাচ্চা নাই। এই জন্য নাকি তার জামাই আরেক বিয়ে করছে। এখন নাকি তোমার বোনের সতীনের বাচ্চা হয়ছে?'আমি আবারও বললাম,' জ্বি।'এবার আমার শাশুড়ি আমার দিকে নজর দিলেন। বললেন,' তোমার বিয়ের কতোদিন হয়ছে জানি কেয়া?'আমি হিসেব করে বললাম,' তিন বছর ছয় মাস।'আমার শাশুড়ি আর কিছু বললেন না।এখান থেকে চলে গেলেন।এর পরদিন দুপুর বেলা তিনি আমায় বললেন,' রেডি হও।চলো ডাক্তারের কাছে যাবো।'আমি অবাক হলাম। বললাম,' মা, আপনার কি শরীর খারাপ? কোন অসুখ বিসুখ হয়েছে কী?'আমার শাশুড়ি নিজের কপাল নিজেই ঠুকে বললেন,' শরীর খারাপ না, কপাল খারাপ। আমার কেন জানি মনে হয় তোমার অবস্থাও তোমার বোনের মতো হবে। কোনদিন সন্তানাদি হবে না! তুমি সম্ভবত বন্ধ্যা।'আমার এতো কষ্ট লাগলো কথাটা শুনে।রাগও লাগলো।এসব আবার কি ধরনের কথা! আমি বললাম,' তার মানে আমায় নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবেন আপনি?'আমার শাশুড়ি বললেন,' তো আর কারে নিয়ে যাবো? বন্ধ্যা কি আমি না তুমি?'উনার এসব কটু কথা শুনে আমার গা কাঁটা দিয়ে উঠছে। ইচ্ছে করছে তর্ক করি। কিন্তু কেন জানি উনার সাথে তর্ক করতেও ইচ্ছে করছে না। রুচিতে বাঁধছে।আমি উনার সঙ্গে কথা না বাড়িয়ে রুমে গেলাম। আমার হাসব্যান্ড তুহিন অফিসে।তার সকাল নটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিস । অবশ্য সময় ইদানিং আরো বেড়েছে।রাত আটটার আগে তার বাসায় ফেরা হয় না কোনদিন। ভাবলাম তাকে কল দিয়ে জানাই বিষয়টা।ডাক্তারের কাছে যেতে হলে সে আর আমি, অর্থাৎ হাসব্যান্ড -ওয়াইফ দুজন মিলেই যাবো। সন্তান হওয়া না হওয়া এসব জটিলতা যে শুধু আমার হতে পারে বিষয়টা তো এমন না।তারও তো হতে পারে।অথবা উভয়েরই হতে পারে। এখানে আমি শাশুড়ি নিয়ে গিয়ে কি করবো সাথে? আমি তুহিনকে কল করলাম। তুহিন কল রিসিভ করে না। পরপর পাঁচবার কল দেয়ার পর রিসিভ করে বলে,' মিটিং ছিল। তোমার কলের জন্য বেরিয়ে আসতে হলো।কল দেয়ার আর সময় পাও না! ।যা বলার ত্রিশ সেকেন্ডে বলো।'আমি বললাম,' তোমার মা আমায় নিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতে চায়।আমি নাকি বন্ধ্যা।উনি গিয়ে আমার বন্ধ্যাত্ব দূর করিয়ে নিয়ে আসবেন ডাক্তারের কাছ থেকে।' সামান্য রাগেই কথাগুলো বললাম।তুহিন বললো,' এখন এইসব ফালতু কথা বলতে কল করেছো? মা ঘরের মুরব্বি। তাকে নিয়ে বাজেভাবে কথা বলবা না খবরদার।উনি যা বলেন তাই করো। মায়ের উপর আমার কোন কথা নাই। এই কথা বাসর রাতেই তোমারে বলছিলাম মুখস্থ করে ফেলতা।এই কথা ভুইলা গেলে নতুন করে আবার মুখস্থ করো।এখন রাখলাম।আর ফোন দিবা না! বিরক্ত করবা না!'তুহিন কল কেটে দিলো। সে সব সময়ই এমন। তার মাকে নিয়ে কোন কথা বললেই তার মাথায় আগুন জ্বলে উঠে।মা তো সবারই সম্মানের। কিন্তু মায়ের সব কথায় কেন শুনতে হবে? মায়েরাও তো ভুল করতে পারে নাকি? তাছাড়া মায়ের অধিকার থাকলে কি স্ত্রীর কোনো অধিকার নাই? বাবার প্রতি ভীষণ রাগ লাগছে আমার।ছেলে বড় চাকুরে। অনেক বেতন। দেখতে সুন্দর। উঁচা লম্বা।ছেলে দেখেই তিনি পাগল হয়ে গেলেন। এমন ছেলে নাকি লাখে মিলবে না ।এই জন্য মহাযজ্ঞ করে তিনি আমার বিয়ে দিলেন। বাবার কথা সত্যিই। এমন ফাজিল ছেলে লাখে একটা মিলানো ভার! 'আমি বের হবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি না দেখে আমার শাশুড়ি এসে রাগ দেখিয়ে বললেন,' এখনও রেডি হও নাই কেন? নাকি যাইতে ভয় পাও তুমি।আসল রহস্য বেরিয়ে যাবে বলে?'আমি রাগের গলায় বললাম,' আসল রহস্য মানে? আসল রহস্যটা আবার কি? যা ইচ্ছে তাই বলার অধিকার কে দিলো আপনাকে?'আমার শাশুড়ি তখনই কান্নাকাটি করে একাকার। বাথরুমে গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে তিনি অজু করে এলেন। এরপর নফল নামাজ পড়লেন। নামাজ শেষ করে দু' হাত তুলে আওয়াজ করেই মনে যা যা ধরেছে সব ধরনের অভিশাপ আমায় দিলেন। আল্লাহর কাছে বিচার দিলেন। আমার ধ্বংস কামনা করলেন।আমি হাসবো নাকি কষ্ট পাবো বুঝতে পারছিলাম না। কিন্তু একটা বিষয়ে আমার ভীষণ কষ্ট লাগছিলো। আমার জন্মদাত্রী মা যখন বেঁচে ছিলেন, তখন মা বলতেন, তোর চেহারা মাশাআল্লাহ সুন্দর।চোখ দুইটা মায়াবী।তোর কপালে সুখ হবে রে মা।তোর শান্তি হবে।মা মারা গিয়েছেন বহু দিন হয়ে গেছে।আমি ভেবেছিলাম মার কথা সত্যি হবে। হয়নি।মার কথা মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে। আমার ভীষণ কান্না পাচ্ছে। ইচ্ছে করছে শব্দ করে কাঁদি। কিন্তু কেন যে কাঁদলাম না কে জানে! নাকি কান্না আমি ভুলেই গেছি! 'বিকেল বেলা আমার শাশুড়ি প্রতিবেশীর বাসায় বেড়াতে গিয়েছেন আমি নিশ্চিত প্রতিবেশীর বাসায় গিয়ে আমার নামে যতোটা বানিয়ে পারেন ততোটাই অপবাদ রটাবেন। একবার তো সামান্য একটা কারণে উনার সঙ্গে আমার কথার কাটাকাটি হলো।পরে নিজেই নিজের মাথা দেয়ালের সঙ্গে আঘাত করে সামান্য ফাটিয়ে প্রতিবেশীদের দেখিয়েছেন, তাকে নাকি আমি ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিলাম খাটের কোনায়।তুহিন অফিসে ছিল। তার কাছে কেঁদেকেটে যখন তার মা ফোন করলো, সে বাসায় এসে প্রথমবারের মতো আমার কোন কথা না শুনেই আমার গায়ে হাত তুলেছিল। বাবাকে ফোন করে বলেছিল, আরেকবার এমন কিছু হলে আমায় ঘাড় ধরে এই বাড়ি থেকে বের করে দিবে।ডিভোর্স দিবে। আমার মতো বেয়াদব, ঝগড়াটে মেয়ে নাকি হয় না।

হাতে ডিভোর্সের চিঠিটা নিয়ে উকিলের চেম্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো অর্নি। পেছনে ফিরে,,

শিমুলের_ফুল_বউ❤️অসাধারণ এক হৃদয় কাঁপানো গল্প || Best romantic story || Heart toughing story bangla |

নিজের বেস্টফ্রেন্ডের বাসর ঘরে তার বদলে বধূ বেশে জড়োসড়ো হয়ে বসে রয়েছি আমি! আজ এখানে যার বধূ বেশে,

Alo is seven months pregnant. Her husband kicked her out after accusing her of infidelity 💔 #sad

গল্প: তুমিতে প্রেমারণ || heart touching story Bangla ll Bengali suspense story ll bangla audio golpo

প্রথমদিন শ্বশুর বাড়িতে এসেই বুঝলাম, আমার স্বামী মহাশয় আমাকে ঠিক পছন্দ করেননি! তার হাবভাবে বেজায়,,,,,

I am an MP, I cannot marry a girl 12 years younger than me ❤️ Bangla audio story

অসাধারণ একটি রহস্যময় গল্প || প্রতিশ্রুতি || Bengali emotional heart touching story || Bangla story

গত দু মাস পর পর পিরিয়ড মিস্ করার পরই আমার সন্দেহ হলো।এরপর যখন খাওয়ায় অরুচি আর বমি শুরু হলো তখন,,,

বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত সব আত্মীয়ের সামনে তারার গালে পর পর দুইটা থাপ্পড় মে'রে নয়ন চ্যাঁচিয়ে বলে উঠল,,,,

বিয়ে করবো কিন্তু🌷বাসর- বা বাচ্চা কাচ্চা চাইবে না মা। এই পিচ্চি মেয়েকে মেনে নিতে পারবো না...

এই অভাগিনী সন্ধ্যাবেলায় পোলার বাড়ী থেইকা তোরে দেখতে আইব।এই লাল শাড়ীখান পইড়া নে 💔 Heart touching #sad

গল্প: স্ত্রীর লড়াই || heart touching story Bangla ll Bengali story ll bangla audio golpo

এতো দেরিতে এসেছেন কেন ম্যাডাম? আপনারা কি কোনো খবর পাননি এখনো?কলেজের গেইটে প্রবেশ করার সাথে সাথে,,,

নিজের আপন চাচাতো বোনকে স্বামীর পাশে নতুন বউ সেজে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে থমকালো সুনয়না❤️❤️#Love_Kahini

নূর ই মহব্বত পর্ব ২১-২৯ কলমে-তাবাসসুম তাজ্বওয়ারী

আমার পিরিয়ড চলছে অভ্র ”– এই কথা বলে আজ পরাপর দুই রাত নিজেকে অভ্রর থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছি আমি। যদিও,,

অসাধারণ একটি গল্প || নীল উত্তাপ || Bengali emotional heart touching story || Bangla audio story

তোমার মা আমাকে এত বছরেও সন্তানের সুখ দিতে পারেনি।১টা সন্তানের মুখ দেখাতে পারেনি#Heart Touching story

