আমি আমার বোনের শশুর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছি। ভেতরে যাওয়ার সাহস হচ্ছে না। মনে হচ্ছে আমি ভেতরে,,,
আমি আমার বোনের শশুর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছি। ভেতরে যাওয়ার সাহস হচ্ছে না। মনে হচ্ছে আমি ভেতরে গেলে যদি সব কিছু বদলে যায়। হঠাৎ একটা পিচ্চি মেয়ে এসে আমাকে বলল,- আপনি কি কাউকে খুঁজছেন? না মামনি আসলে এইটা আমার আপুর শশুর বাড়ি।কাল আমার আপুর বিয়ের ৬ বছর পূর্ণ হতে চলেছে।সেই অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমি এসেছি।- আপনি ওই পার্টি তে এসেছেন। হুম ওর একটা মেয়ে আছে নাম নিহিরিকা। আমার আপুর একমাত্র মেয়ে। তুমি কে তোমার নাম কি ?- আমি নিহিরিকা মামনি। তোমার আপুর একমাত্র মেয়ে। আমি তোমায় ছবিতে অনেক দেখেছি। আজ সামনে থেকে দেখে নিলাম।মেয়েটার কথা শুনে অনেক অবাক হলাম। ও ছবির আমিকে আর বাস্তব আমিকে কতো সহজে মিলিয়ে ফেলেছে।আপুর আর রক্তিমের মেয়ে। অনেক সুন্দর দেখতে এতোক্ষণে খেয়াল করে দেখলাম।নিহিরিকা খানিকটা আপুর মতো দেখলে হলেও চোখ দুটো রক্তিমের মতো দেখতে। নিহিরিকাকে কোলে নিয়ে বললাম,- তুমি তাহলে আমার নিহি মা। হুম আমিই তোমার নিহি মা। এইবার বলো আমার জন্য চকলেট এনেছো।আর এতো দেরি করে কেন আসলে? সব পরে বলবো বুড়ি। তোমার জন্য চকলেট এনেছি এগুলো বের করি। একটু নিচে নামো দিচ্ছি।নিহিরিকাকে নিচে নামিয়ে দিয়ে ব্যাগ থেকে কিছু চকলেট দিলাম।আসার সময় ওর জন্য নিয়ে এসেছিলাম। চকলেট দিতে ওকে বললাম,- আচ্ছা তোমার মা নানা নানু কোথায়? সবাই বাড়িতে আছে। তুমিও যাও আমি আসি আমার ফ্রেন্ডরা আমার জন্য অপেক্ষা করছে। বাই খালামনি.. এই নিহি দাঁড়াও বাড়ির কোথায় আছে বলেতো যাও? না বলে নিহিরিকা চলে গেল। এখন কি হবে ? একা একা হাঁটা ধরলাম। অনেক বদলে গেছে বাড়িটা।আগে এক তালা ছিলো। এখন দুতালা করেছে ছাদও আছে।আপু তিল তিল করে ওর সংসার গড়ে তুলেছে।ভেতরে ভেতরে একটা ভয় কাজ করছে। জানি না কি হবে? গুটি গুটি পা করে এগিয়ে যেতে লাগলাম। উদ্দেশ্য দোতালা বাড়িটা। কিছু দূর হাঁটার পর সামনে একজনকে দেখে একটা অস্থিরতা কাজ করছে। সামনে রক্তিম দাঁড়িয়ে আছে। আমার বোনের স্বামী রক্তিম। রক্তিম আমায় দেখে মলিন হেসে জিজ্ঞেস করল।" কেমন আছো তানু"সেই পুরানো কন্ঠস্বর কানে ভেসে এলো। নিজেকে সামলে মুচকি হেসে প্রতিউওরে বললাম, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি রক্তিম ভাইয়া। তুমি কেমন আছো? আপু কেমন আছে? আপু আম্মু আব্বু সবাই কোথায়?- আরে আস্তে আস্তে তানু। এক এক করে জিজ্ঞাস করো। তুমি দেখি সেই আগের মতো পিচ্চি তানু রয়ে গেছো। কি যে বলেন বাদ দেন আগের কথা। আপু আম্মু আব্বু কোথায়?- সবাই দোতালায় আছে। কালকের অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছে।চলো তোমাকে সেখানে নিয়ে যাই। হুম চলেন।রক্তিম আগে হাঁটছে আর আমি তার পিছনে। বাড়িটা বাড়ির মালিক গুলো আগের থেকে অনেক বদলে গেছে।আপুও হয়তো অনেক বদলে গেছে। মেয়ে সংসার নিয়ে অনেক ভালো আছে আমার আপুটা।কতো বছর ধরে আমার পরিবারকে দেখি না। আব্বু আম্মু সবাই অনেক অভিমান করেছে। যখন ইন্টার প্রথম বর্ষে পড়ি তখন এই শহর ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম।আজ প্রায় ৬ বছর পর চেনা শহরে অচেনা মানুষ হয়ে ফিরে এসেছে।রক্তিমের কথায় আমার ভাবনার ছেদ পড়ল। রক্তিম বলছে,- কি করছো এখন লেখাপড়ার পার্ট চুকিয়ে দিয়ে?- এইতো একটা স্কুলে অংকের টিচার।- বাহ যেই তানু অংকে জিরো পেতো সে নাকি অংকের মাস্টার ভাবতেই অবাক লাগে।রক্তিম কথাটা বলে হাসতে লাগলো। কিন্তূ আগে আমি এই হাসি দেখে মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে থাকতাম। এখন আর আগের মত আগ্রহ নেই। আমি রক্তিম কে জিজ্ঞাস করলাম।- আপু কেমন আছে রক্তিম ভাইয়া? - আলহামদুলিল্লাহ তোমার আপু ভালো আছে। তুমি কেমন আছো?- তুমি যেভাবে থাকতে বলে গিয়েছিলে। রক্তিম তোমার আপুকে নিয়ে সেইভাবে আছে।- হুম দেখতে পারছি। তোমাদের মেয়েটা দেখতে খুব মিষ্টি।- দেখছো তুমি নিহিরিকাকে।- হুম তোমার মেয়ে তো আমাকে ছবি দেখে চিনে ফেলেছে।- জানোতো তানু মানুষ টা যদি ওপরে ভালো থাকে। তাহলে ভেতর থেকে একদম ভেঙ্গে যায়। সামনের ঘরে সবাই আছে।রক্তিম আমাকে কথাটা বলে চলে গেল। জানি না কোথায় যাবে? আর জানতেও চাই না। অতীত নিয়ে কখনো ভাবতে নেই এতো বছরে আমি বেশ বোঝাতে। পেরেছি।রক্তিমের দেখানো রুমে গিয়ে দেখি। আপু আর আম্মু বসে বসে কথা বলছে আব্বু নেই। কতো বছর পর কাছের মানুষদের দেখছি। ফোনে কথা হতো শুধু আম্মুর সাথে কথা বলতাম। আব্বু আপু ফোন দিলে ততো বেশি কথা বলতাম না। আপু আর আম্মু কে দেখে নিজের অজান্তেই চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ল। চোখের পানি মুছে বললাম, "সবাই কেমন আছো আব্বু কোথায় আম্মু?"আপু আর আম্মু আমার কথা শুনে পিছনে ফিরে আমাকে দেখে সাথে সাথে আমার কাছে এসে পড়ল। আপু আম্মু দুজনেই কান্না করছে। আম্মু আমার মাথায় হাত রেখে বলল,"তুই কখন এলি? তুই তো বলেছিস আসবি না। জানিস তুই যখন বললি এবারো আসবি না। আমি ধরে নিয়েছি তুই আর কখনো আসবি না। আমি মরে গেলে হয়তো আমাকে দেখতে আসবি"। আম্মুর কথা শুনে আমি আম্মুকে জড়িয়ে ধরে বললাম, এইরকম করে কেন বলছো? আমি তো ব্যস্ত ছিলাম।আর বললে তোমাদের সারপ্রাইজ দিতাম কীভাবে বলো? হয়েছে হয়েছে আর যেতে দিবো না। তুই এবার থেকে আমার কাছে থাকবি।- হুম পরে দেখা যাবে। আগে বলো আপু কেন এখনো আমার সাথে কথা বললো না। আমি জানি না কিছু যাও তোমরা বোনেরা বোনেরা তোমাদের ঝগড়া মিটিয়ে নাও।আমি তোর জন্য খাবার তৈরি করছি।আম্মু চলে গেলো রান্না ঘরে। আমি আপুর কাছে গিয়ে মাথা নিচু করে বললাম,"আমার সাথে কথা বলবি না আপু" এমনি আমার আপু আমাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিলো। আমিও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম।আপু কান্না করে বলছে, তুই কেমন বোন?- আমি কি করলাম?- তুই সেই যে আমার বিয়ের পরের দিন ঢাকা চলে গেলিআর আসার নাম নেই। আমার ছবির পাশে তোকে দেখে কান্না পেতো। কান্না না করে তোর কাছে ফোন দিতাম। আর তুই কথা না বলে আমাকে ব্যস্ততা দেখাতি।- সরি যে আপু সত্যি অনেক বড় ভুল করে ফেলেছি।সরি রে মাফ করে দে এবারের মতো।- হুম তুমি শুধু ভুল করবে আর আমি বড় বোন দেখে ক্ষমা করে দিবো।

গল্প: প্রতিশ্রুতি || heart touching story Bangla ll Bengali story ll bangla audio golpo

আজ আমাকে পাত্রপক্ষ দেখতে এসেছে,,, আমি পাত্রপক্ষের সামনে বসে আছি গোল্ডেন কালারের একটি লেহেঙ্গা,,,,

অনেকক্ষণ যাবত এয়ারপোর্টে বসে আছে নায়ার,নিজের প্রিয় মানুষটার জন্য। অবশ্য সে জানেনা,সারপ্রাইজ দিবে,,,

ষোলো বছরের পিচ্চি মেয়ে নেভি ক্যপ্টেনের স্ত্রী হবে?হাউ?♥️তিন বছর আগে সম্মান বাঁচাতে বিয়েটা করেছি বলে.

সুন্দর একটি গল্প || নিলুফার দায়িত্ব || Bengali emotional heart touching story || Bangla audio story

প্রেগ্ন্যাসি কিট দেখেই মাথা ঘুরে পড়ে গেলো শোভা। কারণ ফলাফল পজিটিভ! 💔

ভাবতে পারিনি আরমান ভাইয়ের সাথে আমার বিয়ে টা এইভাবে হয়ে যাবে।এটা যেন একটা স্বপ্নের মতো।হ্যাঁ,জেগে,,,

নিজের বেস্টফ্রেন্ডের বাসর ঘরে তার বদলে বধূ বেশে জড়োসড়ো হয়ে বসে রয়েছি আমি! আজ এখানে যার বধূ বেশে,

ঘুমের মধ্যে কেউ চুলের মুঠি চেপে ধরতেই হকচকিয়ে ঘুম ছুটে গেলো আমার। ঘুমঘুম চোখে তাকানোর আগেই প্রচন্ড,,

ভার্সিটির মাঝে মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে মায়া আর তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে আছে কিছু ছেলেমেয়ে,,,,p1

গল্প: মায়ের সম্মান || heart touching story Bangla ll Bengali story ll bangla audio golpo

একটা বাচ্চাকে ঠিক মতো খাওয়াতে পারো না। আবার আরেকটা পেটে নিলে কীভাবে? তোমাদের এতো সখ আর ঢং দেখে,,,

গল্প: ননীর পুতুল অসম্ভব সুন্দর একটি গল্প বাংলা অডিও গল্প| Bangla romantic & motivational audio story

বিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়েছি অনেকক্ষণ হবে। এখন ভবঘুরে হয়ে রাস্তায় হাঁটছি। এছাড়া তো কিছু করারও নেই,,,,,

ছেলের ডাক্তার হিসেবে তিন বছর আগে চার মাসের সংসারে ফেলে আসা স্বামীকে

"এই মেয়ে,সর এখান থেকে"—বিয়ের রাতেই স্বামীর প্রথম কথায় থমকে গেল সে💔Heart touching story #emotional

বাধ্য হয়ে নিজের অপছন্দের স্যার'কেই বিয়ে করতে হয়েছে পল্লবীর || Heart toughing story || Bangla Golpo

তুমি তো "পিচ্চি বউ" তোমার বয়স তো মাত্র ১৫ কিভাবে তুমি ২৯ বছরের ছেলেকে বিয়ে করতে রাজি হও এরপর...

'হঠাৎ একদিন' হুমায়ূন আহমেদের কালজয়ী নাটক (১৯৮৬) | IMDb ৮.৮/১০!

