দীর্ঘ ১২টি বছর পর আজ হঠাৎ মিথিলার সাথে দেখা। মিথিলা আমার প্রথম ভালোবাসা ছিলো। ভেবেছিলাম ও আমাকে,,,
দীর্ঘ ১২টি বছর পর আজ হঠাৎ মিথিলার সাথে দেখা। মিথিলা আমার প্রথম ভালোবাসা ছিলো। ভেবেছিলাম ও আমাকে দেখেই পাগলের মত দৌড়ে কাছে আসবে। জানতে চাইবে, কেমন আছি? ওর বাবাকে কেন নিষ্ঠুরের মতো খুন করেছিলাম। কিন্তু না ও আমার পাশ কেটেই চলে গেলো। একটি বারের জন্যও আমার দিকে ফিরে তাকালো না। যেই মেয়েটি আমাকে ছাড়া এক মুহুর্তের জন্যও থাকতে পারতো না। সে আজ আমার দিকে একটি বারের জন্য ফিরেও তাকালো না। অনেকটা পরিবর্তন হয়ে গেছে।- এই যে শুনছেন?- জ্বী, আমাকে বলছেন নাকি?- হুম আপনাকে। আপনি মাহফুজ ভাই না।- জ্বী আমি মাহফুজ। - জেল থেকে কবে ছাড়া পেলেন?- এইতো আজকেই।- আমাকে চিনতে পেরেছেন?- না, ঠিক চিনতে পারিনি।- আমি শিমলা ঐযে মিথিলার বান্ধবী। - ও আচ্ছা।- আচ্ছা। আপনি মিথিলার বাবাকে কেন খুন করলেন?- বিশ্বাস করো শিমলা। আমি সত্যি বলছি। আমি মিথিলার বাবাকে খুন করিনি।- দারোয়ান মামাতো নিজ চোখে দেখেছে। যেই ছুরি দিয়ে মিথিলার বাবাকে খুন করা হয়েছে সেটা আপনার হাতে পাওয়া গেছে। আর যখন মিথিলার বাবা খুন হয়েছে তখন বাসায় কেবল আপনি আর মিথিলার বাবা ছিলেন। তাহলে কোন যুক্তিতে বিশ্বাস করবো আপনি আসলে খুনি নন।- হুম। তা ঠিক। কোন প্রমাণ না থাকায় ১২টি বছর কাটানো লেগেছে জেল খানায়। একটু আগে মিথিলাকে দেখলাম।- কি বলছেন? পাগল নাকি? মিথিলা আসবে কোত্থেকে? - কেন? আমি তো এই কিছুক্ষণ আগেই মিথিলাকে এই রাস্তা দিয়ে চলে যেতে দেখলাম। - আপনি কি আমার সাথে মজা নিচ্ছেন? মিথিলাতো আরো ২বছর আগে মারা গেছে।- মানি কি? কি বলছো?- হুম। ঠিকই বলছি। ২ বছর আগে। ২ দিন ধরে মিথিলাকে বাসায় খুজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। ২ দিন পর ওর লাশ পাওয়া যায় ওদের বাসার পাশের পুকুর ঘাটে। খুব বাজে অবস্থায় পাওয়া যায় ওকে। ওর শরীরে কোন জামা-কাপড় ছিলো না। ওর পুরো শরীরটাতেই নোকের আছড় ছিলো। কেউ কেউ বলছে ওকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলছে কোন নেকড়ের শিকার হয়েছে।শিমলার কথাটি শুনে নিজেকে স্থির রাখার চেষ্টা করছিলাম। শিমলা বলতে লাগলো,- মিথিলা মারা যাওয়ার কিছুদিন পর ওর মা কোথায় যেন চলে যায়। এখনো ওর মায়ের কোন খোজ পাওয়া যায়নি। কোথায় আছে? কেমন আছে? আচ্ছা, আপনার সাথে আবার পরে কথা হবে। আমার হাসব্যান্ড এসেছে। আমাকে যেতে হবে। আমি তাহলে আসি।- আচ্ছা।রাত্রি বেলা। ল্যাম্পপোস্টের আলো ধরে হাটছি। গন্তব্য অজানা। চারিদিক নিস্তব্ধ। সবাই গভীর ঘুমে কাটর। রাস্তায় এখনো দু'একটা গাড়ি চলাচল করছে। মিথিলাকে খুব মনে পড়ছে। ওকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে। চিৎকার দিয়ে বলতে ইচ্ছে হচ্ছে আমি খুনি করিনি। নিজের ভিতর তৈরি হয় প্রতিশোধের নেশা। সুন্দর নিষ্পাপ মনটা তৈরি হয় "পাষাণ হৃদয়ে"।এইতো ১২টা বছর আগে। আব্বুর বদলি হয় ঢাকা থেকে কুমিল্লা। সকাল সকাল বাসার সকল মালামাল গুছিয়ে ট্রাক দিয়ে পুরো ফেমিলি কুমিল্লায় চলে আসি। তখন আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি। আব্বু আমাকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেয়। বেশ ভালোই কাটছিলো দিনগুলো। বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা আড্ডা দুষ্টুমি। আমাদের বাসার পাশেই ছিলো মিথিলার বাসা। আর মিথিলাও ঐ স্কুলেই পড়তো। যার কারণে মিথিলার সাথে আমার খুব গভীর বন্ধুত্ব হয়। এক সাথেই স্কুলে যেতাম। আবার এক সাথেই আসতাল।মিথিলা ছিলো খুব হাসি খুশি একটা মেয়ে। সব সময় হাসতো। ওর ভিতর কোন কষ্টই ছিলো না। ও হাসলে ওর গালে টোল পড়তো। ওর হাসিটা খুব মিষ্টি ছিলো। আমাদের বন্ধুত্বটা আরো গভীর হতে লাগলো। ইদানিং মিথিলাকে নিয়ে স্বপ্নও দেখা শুরু করি আমি। ওর প্রতি ভালোলাগা শুরু করে। বন্ধুদের সাথে বিষয়টা শেয়ার করি। তখন প্রেম ট্রেম এসব তেমন বুঝতাম না।ছোট বেলা থেকেই আমার একটা বাজে অভ্যাস ছিলো। উল্টা পাল্টা কথা বললেই আমার মাথা গরম হয়ে যেতো। কিছুদিন যাওয়ার পর আব্বু মারা যায়। আম্মু খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমাদের পরিবারের এক মাত্র সন্তান আমি। পড়াশোনায় ততটা ভালো ছাত্র হিসেবে ছিলাম না। তবে আমার রোল সব সময় ১০ এর মধ্যেই ছিলো।মিথিলার বাবার সাথে প্রায়ই দাবা খেলতাম। মিথিলার বাবার সবচেয়ে প্রিয় খেলা ছিলো দাবা। আমিও দাবা খুব ভালো খেলতে পারতাম। মিথিলার বাবার সাথে ভালোই জমতো। একদিন দুপুর বেলা মিথিলার আর তার মা তাদের নানু বাড়ি যায়। বাসায় মিথিলার বাবা একা। আমাকে দেখে মিথিলার বাবা ডাক দেয় দাবা খেলতে। আমি সোফায় বসে আছি। মিথিলার বাবা বললো,- বাবা একটু বসো, আমি তোমার জন্য কফি বানিয়ে নিয়ে আসছি।আমি সোফায় বসে আছি। হঠাৎ মিথিলার বাবার চিৎকার শুনে দৌড়ে কিচেন রুমে যাই। এসে দেখি, মিথিলার বাবা নিজের পেটে নিজেই ছুরি বসিয়ে দিচ্ছে। আর চিৎকার করছে। আজব ব্যাপার তো। আমি মিথিলার বাবার হাত থেকে ছুরিটা কেরে নেই। ততক্ষণে মিথিলার বাবা ফ্লোরে শুয়ে পড়ে। মিথিলার বাবার চিৎকার শুনে দারোয়ান মামা দৌড়ে আসে। এতক্ষণে মিথিলার বাবা না ফিরার দেশে পারি জমায়। পুলিশ এসে আমাকে নিয়ে চলে যায়।মিথিলার বাবার খুনের অপরাধে আমাকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জেল খানায় যাওয়ার পরে একজনের সাথে আমার পরিচয় হয়। নাম তোফায়েল। বাসা ঢাকাতে। আমার এক সপ্তাহ আগে এসেছে এই কারাগারে। কারাগারে থাকার আমাকে আর তোফায়েলকে আলাদা একটা রুম দেওয়া হয়। কারো সাথে আমাদের মিলতো না। এইতো কারাগারে আসার ঠিক তিনদিন পরে। একটা ছেলে আমাকে দেখে খিটখিটিয়ে হাসতে থাকে। আমার পাশে তোফায়েল দাড়িয়ে আছিলো। ও সেটা সহ্য করতে পারেনি। ছেলেটার কাছে গিয়ে তোফায়েল জিজ্ঞেস করলো, - ঐ, আমার বন্ধুকে দেখে এভাবে হাসছিস কেন?- আমার ইচ্ছা হইছে। আমার হাসছি। তাতে তোর কি?- কি বললি... বলের ছেলেটাকে চর থাপ্পড় মারা শুরু করে। ছেলেটার নাক ফেটে রক্ত বেরিয়ে পড়ছে। আমি তোফায়েলের হাত ধরে টেনে নিয়ে আসি। কারাগারের দায়িত্বশীল যিনি, তিনিও তোফায়েলকে খুব ভয় পেত। কারণ, তোফায়েল কাউকেই ছাড় দিয়ে কথা বলতো না।

ফুল দিয়ে সাজানো একটা ঘরে বসে আছে তৃষা।আকাশের সাথে আজ তার বিয়ে হয়েছে কিন্তু সেটা নাম মাত্র।নিজের,,

বিয়ের ১০ বছর পর আমার স্বামীর মনে হল তার ২য় বিয়ে করা উচিত (অনুগল্প)সকল পর্ব একসাথে/বাংলা গল্প

"হৃদয়ে জুড়ানো একটি গল্প"♥️" অবশেষে তুমি আমি"আমাকে ফেলে আমারই ছোট বোনকে বিয়ে করতে তোমার বাঁধলো না

#গল্পঃসাঁঝের_বাতি 💖pt_5 | অবহেলার জীবনের হৃদয়স্পর্শী গল্প | Bengali_Story

নিপা তুমি যে কত সুন্দর তা তুমি নিজেও জানো না। সব থেকে বেশি সুন্দর তোমার চোখ দু'টো। তোমার ঠোঁটে যখন,,

গল্প : মোহতৃষ্ণা |পর্ব - ২ | Bangali story | Heart touching romantic story | sad story 😂 love story

অনেকক্ষণ ধরে ফোন দিচ্ছে তিয়া বর্নকে কিন্তু বর্ন ফোন ধরছে না। অনেকবার দেওয়ার পর ফোন রিসিভ করলো,,---

স্যার উঠেন, বাস আর যায়বো না। রাস্তা শ্যাষ এইহানে।' ...' বাসের হেল্পারের ডাকে মুখের ভেতর অস্ফুটে,,,

উপসংহারে তুমি।সিজন টু।নতুন গল্প।উপন্যাস রোমান্টিক #foryou #story #upnast

ইমরোজের সাথে আমার বিয়েটা হয়েছিল 'খানিকটা' পারিবারিকভাবেই। বিয়ের আগে দুই-তিনবার যেটুকু দেখা হয়েছিল,,,

Is Nayantara standing there watching her own younger sister marry the man she’s loved for five ye...

"হারিয়ে খুঁজবে আমায়" ♥️ডির্ভোস, শাফিন কি বলছে এই রাস্তার মেয়েটা, একটা রক্ষিতার কথায় তুমি আমাকে...

আজ আমার বিয়ে হলো পারিবারিক ভাবেই।ভাবতেই অবাক লাগছে,কালকে এই সময় আমি এক বাড়ির মেয়ে ছিলাম।আর আজ অন্য,,

গল্প: বসন্তের সূর্যোদয় || heart touching story Bangla ll Bengali story ll bangla audio golpo

স্বামীকে সারপ্রাইজ দিতে স্বামীর অফিসে চলে আসে মাইশা। কিন্তু এখানে এসে নিজেই সারপ্রাইজড হয়ে যাবে,,,

"এক চিলতে রোদ" Bangla Short Story || Heart Teaching Bangla Romantic Love Story

ধর্ষিত মাইয়ারে কে ই বা বিয়ে করতে চাইবে।" কতো ভালো ভালো বিয়ে আইছিলো, জাবেদ স্যার তো এক কথায় না করে,,,

"বন্ধ দরজায় তুমি"♥(গল্পের ১ম অংশ) আজ তুরের আঠারো বছর পূর্ণ হলো কিন্তু আজকে তার সাথে এমন হবে সে....

এই অভাগিনী সন্ধ্যাবেলায় পোলার বাড়ী থেইকা তোরে দেখতে আইব।এই লাল শাড়ীখান পইড়া নে 💔 Heart touching #sad

