ফুল দিয়ে সাজানো একটা ঘরে বসে আছে তৃষা।আকাশের সাথে আজ তার বিয়ে হয়েছে কিন্তু সেটা নাম মাত্র।নিজের,,
ফুল দিয়ে সাজানো একটা ঘরে বসে আছে তৃষা।আকাশের সাথে আজ তার বিয়ে হয়েছে কিন্তু সেটা নাম মাত্র।নিজের বাবা,,মা আর ছোট্ট ভাইটার কথা মনে পড়তেই তার বুকে এক চিনচিনে ব্যথা অনুভব করলো আর কিছুক্ষণ পর দরজার আওয়াজে বুঝতে পারলো যে আকাশ এসেছে।তৃষা বেড থেকে নেমে আকাশকে সালাম দিতে গেলে আকাশ বলে উঠলো-;-: এসবের কোনো প্রয়োজন নেই।তুমি ফ্রেশ হয়ে নেও। তৃষা কোনো কিছু না বলে ওয়াশরুমে চলে গেল ফ্রেশ হতে।ফ্রেশ হয়ে নীল রঙের সুতী শাড়ি পরে বেরিয়ে এসে দেখলো আকাশ সোফায় শুয়ে আছে। কিছুক্ষণ আকাশের দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে তৃষা খাটে শুয়ে পরলো।আর ডুব দিল অতীতে। বেশ অবস্থাপন্ন পরিবারেই জন্ম হয়েছিল তৃষার।বাবা মা এবং ছােট ভাইকে নিয়ে বেশ সুখেই কাটছিল তাদের দিনগুলি।তৃষার বাবা ঢাকা শহরের নামকরা বিজনেসম্যান ছিল। কিন্তু হঠাৎই সবকিছু এক মুহূর্তেই যেন পাল্টে গেল।তৃষার বাবার একটার পর একটা বিজনেস ডিল লস হতে থাকে।আর এদিকে অনেক টাকাও ইনভেস্টমেন্ট করে দিয়েছিল বিজনেসের জন্য।একে একে তাদের বাড়ি,,গাড়ি সব নিলামে উঠল। তৃষার বাবার কোম্পানি টাও বন্ধ হয়ে যায় এসব কিছু নিজের চোখে সামনে হওয়ায় তৃষার বাবা খুবই ভেঙে পড়েন।দুঃসময় বন্ধুবান্ধবরাও তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল,,এমনকি পরিবারের লােকেরা ও তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন নি।সব শেষে একটা টিনের চালের ঘরে তারা আশ্রয় নেয়।অবশ্যই এই ঘরটা ছিল তাদের ড্রাইভারেরl বিপদের সময় সবাই মুখ ঘুরিয়ে নিলেও ড্রাইভার চাচা তাদের দিকে থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়নি।পরিবার বলতে তার কেউ ছিল না,,তিনি একা থাকতেন সেই ঘরে।প্রথম দিকে তাদের খুবই কষ্ট হতাে সেখানে থাকতে তারপর দিন দিনে তারা অভ্যস্ত হয়ে উঠলো এমন পরিবেশের সাথে।তৃষার বাবা একটা প্রাইভেট ফার্মে চাকরী করতো আর রহিম চাচা (ড্রাইভার) অন্যের গাড়ি চালিয়ে যা ইনকাম করতো তাই দিয়েই তাদের সংসার এবং তৃষা আর তার ভাইয়ের পড়াশোনা চলে যেত কোনোভাবে। কিন্তু দু'বছর পর হঠাৎ একটা রোড এক্সিডেন্টে রহিম চাচা মারা যায়।তার আকস্মিক মৃত্যুতে তৃষর বাবা প্রচুর ভেঙ্গে পড়েন।কিছুদিনের মধ্যেই তিনি হার্ট অ্যাটাক করেন এবং বিছানা সজ্জা নেন। এদিকে তখন সংসারের অবস্থাও শােচনীয়।শেষমেষ তৃষাকেই হাল ধরতে হয় পরিবারের।সে তখন ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে।তার বাবার ঘাের আপত্তির সত্ত্বেও সে বিভিন্ন চাকরির ইন্টারভিউ দেওয়া শুরু করল।অবশেষে তৃষা চাকরি পেয়ে গেল খান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিসের একজন সামান্য ক্লার্ক হিসাবে। বেশ স্বাভাবিক ভাবেই কাজ করছিল তৃষা। মাস গেলে যা সেলারি পেতো তাতেই তাদের সংসার মােটামুটি ভালােই চলছিল এবং এতে তার বাবা-মায়ের কষ্টটা কিছুটা পরিমাণ হলেও কমেছিল।কিন্তু সুখের সময় বেশি দিন থাকে না মানুষের জীবনে,,তৃষার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হলো। হঠাৎ একদিন তার ফোন আসে অফিসে থাকাকালীন বাড়ি থেকে।তার বাবা নাকি ভীষণ অসুস্থ এবং তাকে হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এটা শুনে তৃষা সব কাজ ফেলে হসপিটালে গেল। সেখানে কয়েকটা টেস্ট করার পর ডক্টর তৃষাকে তার কেবিনে ডাকলো এবং বলল যে তার বাবার ওপেন হার্ট বাইপাস সার্জারি করতে হবে এবং সেটা এক সপ্তাহের মধ্যেই।নইলে নেক্সট টাইম হার্ট অ্যাটাক হলে উনাকে আর বাঁচানো সম্ভব হবে না।আর সব মিলিয়ে খরচ পড়বে প্রায় 5 লক্ষ টাকা। কথাটা শুনে তৃষা পুরাে ভেঙে পড়ল একদিকে বাবাকে বাঁচানাের চিন্তায় এবং আরেক দিকে টাকা জোগাড়ে চিন্তায় তৃষা প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছিল। পরিচিত সবার কাছে তৃষা সাহায্য চেয়েছিল কিন্তু এই বিপদের দিনে সবাই তার দিক থেকে মুখ তুলে নিয়েছিল।যাদের এক সময় তার বাবা নিঃস্বার্থভাবে সাহায্য করেছিল তারাও তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল।তৃষা কি করবে কিছুই বুঝতে পারছিল না এদিকে তার বাবার অবস্থার অবনতি ধীরে ধীরে শুরু হতে থাকে।হঠাৎ তার মনে পড়ল আকাশের কথা সে চট করে অফিসে গেল এবং আকাশের কেবিনে ঢুকে তার পা দুটো ধরে আকুতি মিনতি করতে লাগলাে এবং কিছু টাকা ধার হিসেবে চাইলো।কিন্তু আকাশ তাকে সাহায্য করার পরিবর্তে কন্টাক্ট ম্যারেজ করার অফার দেয়। নিজের বাবাকে বাঁচানোর জন্য শেষমেষ তাকে আকাশকে বিয়ে করতে হয়। এসব কিছু ভাবতে ভাবতে তৃষার চোখ আবার ভরে এলো। সূর্যের আলো চোখে পড়তেই তৃষার ঘুম ভেঙে গেল,,ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল সকাল ৭ টা।আড়মোড়া দিয়ে উঠে পাশের সোফার দিকে তাকাতেই আকাশকে দেখতে পেল,, এখনও সে ঘুমাচ্ছে।আর কিছু না ভেবে তাড়াতাড়ি ওয়াশরুমে চলে গেল ফ্রেশ হতে।কিছুক্ষণ পর শাওয়ার নিয়ে বেরিয়ে এসে দেখলো আকাশ এখনও ঘুমাচ্ছে তাই তাকে আর না ডেকে নীচে চলে গেল। নতুন বউ এত বেলা পর্যন্ত ঘুমালে লোকেরা পাঁচ কথা শোনাবে আর তাছাড়াও সে এই বাড়ির নতুন বউ। নীচে নেমে দেখলো তার শাশুড়ি মা রান্নাঘরে সকালের নাস্তা বানাচ্ছে।বিয়েটা যেহেতু ঘরোয়া ভাবে হয়েছে তাই কোনো রিলেটিভসরা আসে নি,,তার শাশুড়ি মা অবশ্যই বলেছিল একটা রিসেপশন পার্টি দেবে কিন্তু আকাশ সরাসরি না করে দিয়েছে তার মতে এইসব জিনিসের পিছনে অযথা সময় নষ্ট করার কোনো মানেই হয় না,,দু দিন পর এমনিতেই সবাই যেনে যাবে যে সে বিবাহিত।বাড়িতে সদস্য বলতে আকাশ আর তার মা।তিন বছর হয়েছে তার বাবা মারা গিয়েছে তারপর থেকে আকাশ নিজে তার বাবার ব্যবসা সামলিয়েছে। তৃষাকে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আকাশের মা বলে উঠলেন-;-:আরে তুই বাইরে দাঁড়িয়ে আছিস কেন ভিতরে আয়।তৃষা এতক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল ভেতরে ঢুকতে সাহস পাচ্ছিল না,,,কিন্তু তার শাশুড়ি মায়ের কথায় তার ভয় মুহূর্তেই কমে গেল।

বিয়ের প্রায় দুই মাস হয়ে গেছে বাসর রাতের পরে আমি আমার স্বামীকে দ্বিতীয় বারের জন্য দেখিনি এবং আমাদের,,

A Soul-Stirring Extraordinary Bengali Story ❤️ Best Story ll Emotional & heart touching story Ban...

অনেকক্ষণ ধরে ফোন দিচ্ছে তিয়া বর্নকে কিন্তু বর্ন ফোন ধরছে না। অনেকবার দেওয়ার পর ফোন রিসিভ করলো,,---

ডাক্টার ইশতিহার-১ | হৃদয় ছোঁয়া উপন্যাস | bengali romantic audio story | couple love story bangla

স্যার উঠেন, বাস আর যায়বো না। রাস্তা শ্যাষ এইহানে।' ...' বাসের হেল্পারের ডাকে মুখের ভেতর অস্ফুটে,,,

উর্বী শাড়ির আঁচল গায়ে তুলে নিজেকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছে আয়নায়। সব ঠিকঠাক। তবে সমস্যা হচ্ছে তার..

আচ্ছা বাবু এই কনডম দিয়ে কি করবে?এটা দিয়ে করলে কোন মেডিক্যাল প্রমান থাকবে না। বাবু আমার না ভয় করছে

ইমরোজের সাথে আমার বিয়েটা হয়েছিল 'খানিকটা' পারিবারিকভাবেই। বিয়ের আগে দুই-তিনবার যেটুকু দেখা হয়েছিল,,,

নিপা তুমি যে কত সুন্দর তা তুমি নিজেও জানো না। সব থেকে বেশি সুন্দর তোমার চোখ দু'টো। তোমার ঠোঁটে যখন,,

বৌমার অপমানের মোক্ষম জবাব দিলেন শাশুড়ি! শেষে যা হলো দেখলে অবাক হবেন | Moral Bangla

#অন্তর_দহণ 🍁অসম্ভব সুন্দর হৃদয়স্পর্শী গল্প ll bangla audio golpo ll bangla love story #motivation

আজ আমার বিয়ে হলো পারিবারিক ভাবেই।ভাবতেই অবাক লাগছে,কালকে এই সময় আমি এক বাড়ির মেয়ে ছিলাম।আর আজ অন্য,,

হার্ট টাচিং হৃদয় ছোঁয়া গল্প || মোহ || Bengali emotional heart touching love story || Bangla story

স্বামীকে সারপ্রাইজ দিতে স্বামীর অফিসে চলে আসে মাইশা। কিন্তু এখানে এসে নিজেই সারপ্রাইজড হয়ে যাবে,,,

"যাকে সবাই সাধারণ কর্মী ভেবেছিল, সে-ই হাসপাতালের নতুন CEO! তারপর যা ঘটল, কেউ কল্পনাও করেনি! "

#MyHusbandsSecondEngagement💔(Part 1) Touching Story II Bengali Suspense Story II Bangla Story

#জীবন_থেকে_নেওয়া (সম্পুর্ন সত্যি একটা মেয়ের জীবন কাহিনি।) এশার এর আজান হচ্ছে চারদিকে। আজ কেন জানি

আজকেও তনু'র পাজামায় রক্তের দাগ দেখে আঁতকে উঠলো মৌমিতা। কয়দিন পরপরই এই জিনিসটা ওর চোখে পড়ছে। বিষয়টা,,

দীর্ঘ ১২টি বছর পর আজ হঠাৎ মিথিলার সাথে দেখা। মিথিলা আমার প্রথম ভালোবাসা ছিলো। ভেবেছিলাম ও আমাকে,,,

