ভার্সিটিতে ক্লাস শুরু হয়ে গেছে গত সপ্তাহ থেকে। কিন্তু অসুস্থ থাকায় ক্লাসে যেতে পারেনি তুবা। সে,,,,
ভার্সিটিতে ক্লাস শুরু হয়ে গেছে গত সপ্তাহ থেকে। কিন্তু অসুস্থ থাকায় ক্লাসে যেতে পারেনি তুবা। সে হিসেবে আজকেই ভার্সিটিতে ওর প্রথম দিন। বেশ ব্রাইট মেকাপ করে আজ ভার্সিটিতে এসেছে তুবা। চেহারার অনুজ্জ্বলতা ঢাকতে বরাবরই খুব সতর্ক সে। ভার্সিটিতে এসেই তুবার চোখ লিজা আর মারিয়াকে খুঁজে ফিরছে। ওরা দুজনেই তুবার কলেজ ফ্রেন্ড।মারিয়াকে ফোন করল তুবা,-হ্যা রে, কই তুই? -এইতো ভার্সিটির গেট দিয়ে ঢুকলাম কেবল।-আমি ক্লাসে আছি, চলে আয়। -আমাদের ক্লাস কোন বিল্ডিং-এ? -গেট থেকে সোজা এসে ডান দিকের বিল্ডিং এর দোতলায়। চলে আয় তাড়াতাড়ি। -হ্যা আসছি। বলে ফোন কেটে ক্লাসের দিকে গেলো তুবা। ক্লাসে গিয়ে মারিয়ার পাশের সিটে বসলো। পুরো ভার্সিটিতে সব স্টুডেন্টসই তার অচেনা। শুধু মারিয়া আর লিজাই পরিচিত। মারিয়া আর তুবা একই ডিপার্টমেন্টে কিন্তু লিজাটা অন্য ডিপার্টমেন্টে। বসে সামনে পিছনে দেখতে লাগলো তুবা। সবাই একে অপরের সাথে গল্পগুজবে ব্যস্ত। বেশ কোলাহলপূর্ণ রুমটা। মারিয়া জিজ্ঞেস করল,-কী রে? কী দেখছিস? -দেখছি, আমাদের ক্লাসে অনেক সুন্দর সুন্দর মেয়েরা আছে! এতে আশ্চার্য হওয়ার কিছুই নেই। আমাদের ডিপার্টমেন্টে কোনো ছেলে নেই বুঝলি?সুতরাং মেয়েই থাকবে এটাই স্বাভাবিক। -আরে, ঐ ডান দিকের মেয়েটাকে দেখ, কী ফর্সা আর কী সুন্দর! ওর পিছনের মেয়েটাও অনেক ফর্সা। তোর মতো সুন্দর। -তোর কি মাথায় সারাদিন খালি সৌন্দর্যতত্ত্বই ঘোরে?-আমি নিজে কালো তো তাই সৌন্দর্যের প্রতি আমার একটু বেশিই দুর্বলতা। হিহিহি...হেসে উত্তর দিলো তুবা। -দেখ তুবা, তুই কালো না। শ্যামলা। আর তোর ফেস কাটিং অনেক ফর্সা মেয়ের থেকেও সুন্দর। আর আজকে তুই কত সুন্দর করে সেজে এসেছিস। দারুণ লাগছে তোকে! -হয়েছে আর মিথ্যে বলতে হবে না।-মিথ্যে কেন বলবো? তুই তো এমনিতে সুন্দরই। শুধু গায়ের রঙটা একটু চাপা। -ওই হলো। তোর মতো ফর্সা তো আর নই। আর মেকাপ ছাড়া তো সবাই কালোই বলে...বলেই মুখটা বিষাদগ্রস্ত হয়ে গেলো তুবার... মারিয়া কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলো এরই মধ্যে একজন ম্যাম ঢুকলেন ক্লাসে। গল্পগুজব বন্ধ হয়ে সবার কনসার্ন সেদিকে গেলো। ম্যাম এর দিকে তাকিয়ে তুবার চোখ তো ছানাবড়া! এত্ত সুন্দরও কি মানুষ হয়! নীল রঙের শাড়িতে ম্যামকে যেন আরো বেশি সুন্দর লাগছে। কী ফর্সা গায়ের রঙ! হাতগুলো দেখলে মনে হয় যেন মোমের তৈরি! একটু কালো বা শ্যামবর্ণের মেয়েগুলো বোধহয় এমনই হয়। মুখে যতো যাই বলুক না কেন, ভেতরে ভেতরে ঠিকই সুন্দরী বা ফর্সা কাউকে দেখলে মনের মধ্যে একটু আক্ষেপ জন্ম নেয়। নিজের প্রতি বিদ্বেষ বাসা বাঁধে। আমি কেন ওরকম নই। তুবাও তার ব্যতিক্রম নয়। বরং অন্যদের থেকে একটু বেশিই আক্ষেপ তার মনে। এমনিতে সে শ্যামবর্ণা, তবে খুব স্মার্ট এবং মেধাবীও। কিন্তু আমাদের ঘুণেধরা সমাজ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মেয়েদেরকে বিচার করে সৌন্দর্যের ভিত্তিতে। আবার সেই সৌন্দর্যের মাপকাঠি নির্ণীত হয় চামড়ার উজ্জলতার ভিত্ততে। সেই হিসেবে তুবার মনে নিজেকে নিয়ে আক্ষেপ জন্মানোটাই স্বাভাবিক। ম্যাম স্ট্রিক দিয়ে প্রজেক্টরে দেখাচ্ছেন আর লেকচার দিচ্ছেন। এক পর্যায়ে তিনি তুবাকে লক্ষ্য করে বললেন, -ইউ গার্ল! স্ট্যান্ড আপ। তুবা দাঁড়িয়ে বলল, -ইয়েস ম্যাম-তুমি কি আজ নতুন?-জি ম্যাম। -এ কয়দিন আসোনি কেন? -আমি অসুস্থ ছিলাম ম্যাম। -ওহ আচ্ছা। বসতে পারো। বলে, আবার বোর্ডের কাছে গেলেন ম্যাম। কী ভেবেই আবার ঘুরে বললেন, -শোনো!বসতে গিয়েও আবার উঠে দাঁড়িয়ে তুবা বলল,-জি ম্যাম তুবার আপাদমস্তক একবার ভালোভাবে দেখে নিয়ে ম্যাম বললেন,-শোনো মেয়ে, এটা ক্লাস রুম। বিউটি কাম্পিটিশান স্টেইজ না। এতো মেকাপ নিয়েছো কেন? ম্যামের কথায় বেশ থতমত খেয়ে যায় তুবা। কী বলবে বুঝে উঠতে পারছে না মেয়েটা। ম্যাম আবার বললেন, -তারুণ্যের বয়স তোমাদের, মেকাপ একটুআধটু করতেই পারো কিন্তু, কালো মেয়েরা এতো মেকাপ করলে দেখতে ক্ষ্যাত ক্ষ্যাত লাগে। ড্রেসাপ তো বেশ স্মার্ট। এটুকুও বোঝো না? সুন্দর সাজতে গিয়ে ভুতের মতো লাগলে ব্যাপারটা খুব বিশ্রী লাগে, বুঝেছো?ম্যামের কথা শুনে ক্লাসের সব মেয়েরা হো হো করে হেসে উঠলো। ম্যামের তিরস্কার শুনে লজ্জায় অপমানে মাথাটা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে তুবা। সবার বিদ্রুপাত্মক হাসি শুনেও সেদিকে তাকানোর সাহস হলো না মেয়েটার। অপমানবোধে কান্না চলে আসছিলো। নেহাত ক্লাস বলেই কোনওমতে কান্না চেপে, মৃদু কণ্ঠে বলল, -জি ম্যাম। -ঠিক আছে, বসতে পারো চেহারায় কিছুটা বিরক্তিভাব প্রকাশ করে, ম্যাম আবার পড়ানোয় মনোনিবেশ করলেন। ক্লাসের বাকিটা সময় মাথা নিচু করে বসে থাকলো তুবা। ক্লাসের সময় শেষ হলে, ম্যাম চলে গেলেন। এরপর সবাই আবার যে যার মতো গল্পগুজবে মেতে উঠলো। তুবার বেঞ্চের আশেপাশের কয়েকটা মেয়ে তুবার দিকে তাকাচ্ছে আর ম্যামের করা মন্তব্য নিয়ে কানাঘুষো আর হাসাহাসি করছে একে অপরের সাথে। ব্যাপারটা যেন কাটা ঘায়ে নুনেরছিটের মতো বিঁধছে ওর মনে।তুবা মাথানিচু করে চুপচাপ বসে আছে দেখে মারিয়া বলল,-মন খারাপ করিস না তুবা। এই ম্যামটা এমনই। উনি অন্য আরেক স্যারের পরিবর্তে এযাবৎ চারটা ক্লাস নিলেন, প্রত্যেক ক্লাসেই কাউকে না কাউকে অযথা কথা শুনিয়েছেন। -তুই ই বল মারিয়া, আমি কি ভুতের মতো মেকাপ নিয়েছি? এতগুলো মেয়ের সামনে আমাকে কীসব যা তা বলে অপমান করলো! -না। বাদ দে তো মন খারাপ করিস না। -আসলে সমস্যা আমার মেকাপে না। সমস্যা হচ্ছে আমার গায়ের রঙে। আমি কালো তো। কালো হয়ে জন্মানোটাই বোধহয় জগতের সবথেকে বড় পাপ!

বন্ধুর সাথে পার্কে এলাম ঘুরতে কিন্তু ঘুরতে এসে যে আমি নিজে এত বড় সারপ্রাইজ হয়ে যাবো কখনো ভাবতে,,,,

১৬ বছরের পিচ্চি মেয়ে মাহাভিনের সাথে বাসর করেই চলে যায় তার স্বামী ফুটবলার তায়ান♥️স্বামীর ধোকা খেয়ে...

দোস্ত তুই যেই মেয়েটাকে ভালোবাসিস সে একটা ছেলের হাত ধরে শহীদ মিনারের দিকে গেলো কথাটা শুনে রবির মেজাজ,

অনেকক্ষণ যাবত এয়ারপোর্টে বসে আছে নায়ার,নিজের প্রিয় মানুষটার জন্য। অবশ্য সে জানেনা,সারপ্রাইজ দিবে,,,

ভাবতে পারিনি আরমান ভাইয়ের সাথে আমার বিয়ে টা এইভাবে হয়ে যাবে।এটা যেন একটা স্বপ্নের মতো।হ্যাঁ,জেগে,,,

একটা বাচ্চাকে ঠিক মতো খাওয়াতে পারো না। আবার আরেকটা পেটে নিলে কীভাবে? তোমাদের এতো সখ আর ঢং দেখে,,,

গল্প : ফিরে আসা স্ত্রী || heart touching story Bangla ll Bengali story ll bangla audio golpo

LIVE Japji Sahib Live | Bhai Sukhdev Singh Ji | Gurbani Kirtan

"সুখ পাখি" ♥️(গল্পের প্রথম অংশ) মাহির তার কানিজ কে বিয়ের দিন সেখান থেকে না বলে নিয়ে আসে তারপর...

বান্ধবীর বড় ভাইয়ের ওয়ালেটে নিজের ছবি দেখে রীতিমতো চমকে উঠল প্রাণেশা। বিস্ময়ে চোখ বড় বড় হয়ে গেল তার

অসাধারণ একটি গল্প || অধিকার || Bengali emotional heart touching story || Bangla audio story

বিয়ে করবো কিন্তু🌷বাসর- বা বাচ্চা কাচ্চা চাইবে না মা। এই পিচ্চি মেয়েকে মেনে নিতে পারবো না...

শুনছো..আমি প্রেগন্যান্ট!কথাটা বলার সাথে সাথে একটা শক্তপোক্ত হাতের চড় বসে গেলো রাহার গালে💔 #emotional

ডিভোর্সি একমাত্র পথ তোমার থেকে মুক্ত হওয়ার ❤️ romantic story Bangla ll Bengali suspense

ছেলের ডাক্তার হিসেবে তিন বছর আগে চার মাসের সংসারে ফেলে আসা স্বামীকে

১৯ বছরের ভালোবাসাকে পায়ে ঠেলে ৪বছরের ভালোবাসার হাত ধরে পালিয়ে এসেছিলাম । তাও আজ থেকে ৫বছর আগে ,,,,

Major Kardar’s Story - Part 1 | Bengali Audio Story | Emotional & Heart-touching Bengali Story

ক্লাস টেনে পড়া মামাতো বললো বলল♥️ ভাইয়া তোমাকে কিস করতে চাই.. এটা শুনে তো আমি আকাশ থেকে...

শাশুড়িকে অশিক্ষিত ভেবে অপমান করেছিল বউমা, পরে জানল তিনি অক্সফোর্ডের স্কলার!

