আসলেই কি ভারতের দালাল ছিলেন রহস্যপুরুষ সিরাজুল আলম খান ওরফে দাদাভাই?
Think Anticlockwise Series | Episode 103 Research Affiliates: Mahir Daiyan Chowdhury The Thumbnail Magician: Joy Deb Nath Cool Editors: Abdullah Al Mamun Akib ----------------------------------------------------------------------------------- For business and other inquiries: [email protected] ----------------------------------------------------------------------------------- ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে জনপ্রিয় করার নেপথ্যে ছিলেন এই মানুষটি। স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা কেমন হবে, জাতীয় সংগীত কোনটা হবে, ছাত্রদের আন্দোলন কীভাবে স্বাধীনতার দিকে আগাবে, এমনকি ৭ মার্চের শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ভাষণের রাজনৈতিক বার্তা তৈরির পেছনেও তাঁকে অন্যতম প্রধান কারিগর বলা হয়। স্বাধীনতার আগের প্রায় প্রতিটি আন্দোলনে তিনি শেখ মুজিবের পাশে ছিলেন। এতটাই কাছের মানুষ ছিলেন যে অনেকে তাঁকে বলতেন শেখ মুজিবের ‘ডান হাত’। অথচ সম্ভবত আপনি এই মানুষটাকে চিনেনই না। আরও অবাক করা ব্যাপার হইলো, মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর তিনি শেখ মুজিবের দল আওয়ামী লীগের মূলধারায় গেলেন না। বরং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গঠন করলেন নতুন রাজনৈতিক দল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বা জাসদ। লম্বা চুল, কার্ল মার্ক্সের মতো বিশাল দাড়ি আর রহস্যে ঘেরা জীবন। এই মানুষটির নাম সিরাজুল আলম খান। অনুসারীরা ডাকতেন ‘দাদাভাই’। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি পরিচিত ‘রহস্যপুরুষ’ নামে। কিন্তু একজন মানুষকে কেন রহস্যপুরুষ বলা হবে? কারণ, তিনি সাধারণত মঞ্চের সামনে থাকতেন না। কোনো বড় সরকারি পদে যান নাই, মন্ত্রী হন নাই, এমনকি নিজের গড়া জাসদের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকও হন নাই। অথচ পর্দার আড়াল থেকে এমন সব রাজনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যেগুলোর প্রভাব বাংলাদেশের পুরো ইতিহাসের ওপর পড়সে। ১৯৬২ সালে, যখন বাংলাদেশ নামের কোনো রাষ্ট্রই ছিল না, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের ছাত্র সিরাজুল আলম খান তাঁর দুই সহযোগী আবদুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ আহমেদকে নিয়া গোপনে তৈরি করেন ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’। পরে যেটা পরিচিত হয় ‘নিউক্লিয়াস’ নামে। একবার চিন্তা করেন, পাকিস্তান আমলে প্রকাশ্যে স্বাধীনতার কথা বললেই রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হইতে পারে। আর সেই সময়ে একদল তরুণ গোপনে বসে আলাদা একটা দেশের পরিকল্পনা করতেসে! ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, শেখ মুজিবের মুক্তি, ছাত্রসমাজকে সংগঠিত করা, স্বাধীনতার দাবি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া, সবকিছুর পেছনেই নিউক্লিয়াসের শক্তিশালী সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক কাজ করেছিল বলে অনেক গবেষক মনে করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় সিরাজুল আলম খান ছিলেন মুজিব বাহিনীর চার প্রধান সংগঠকের একজন। যুদ্ধ শেষে ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকা স্টেডিয়ামে অস্ত্র সমর্পণের অনুষ্ঠানে শেখ মুজিব আর সিরাজুল আলম খানের একটা বিখ্যাত ছবি আছে। দুজন দুহাতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেছেন। ছবিটা দেখলে মনে হবে, এই সম্পর্ক আর কখনো ভাঙার কথা না। কিন্তু রাজনীতির কাহিনি তো এত সোজা না। স্বাধীনতার কিছুদিনের মধ্যেই শেখ ফজলুল হক মনি ও সিরাজুল আলম খানের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। শেখ মুজিব শেখ মনির পক্ষের ছাত্রলীগ সম্মেলনে যোগ দেন। এরপর সিরাজুল আলম খান ও তাঁর অনুসারীরা বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের কথা বলে জাসদ গঠন করেন। একসময় দেশের অসংখ্য তরুণ জাসদের ডাকে বিপ্লবের স্বপ্ন দেখসিলো। আবার জাসদের গণবাহিনী, সশস্ত্র রাজনীতি, থানা ও সরকারি স্থাপনা আক্রমণের চেষ্টা এবং দেশজুড়ে অস্থিরতা তৈরির অভিযোগও ইতিহাসে রয়ে গেছে। সবচেয়ে রহস্যময় প্রশ্নটা আসে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টকে ঘিরে। লেখক মহিউদ্দিন আহমদ যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জাসদের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, সিরাজুল আলম খান বলেছিলেন, দল হিসেবে জাসদের কোনো ভূমিকা ছিল না। ব্যক্তি পর্যায়ে কারও ভূমিকা থাকতে পারে। তিনি এটাও স্বীকার করেছিলেন, তাঁরা শেখ মুজিবের রাজনৈতিক পতন চেয়েছিলেন, কিন্তু পরিবারসহ তাঁকে হত্যা করা হোক, এইটা তাঁরা চান নাই। কিন্তু প্রশ্ন আরও গভীরে যেতেই তিনি বলে উঠেছিলেন, এই বিষয়ে আর আলোচনার দরকার নাই, রেকর্ডিং বন্ধ করো। কেন তিনি প্রশ্নটা থামিয়ে দিলেন? তিনি আসলে কী চেয়েছিলেন? স্বাধীন বাংলাদেশের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হয়েও কেন শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা থেকে দূরে থাকলেন? কেন তাঁর তৈরি রাজনৈতিক স্বপ্ন বাস্তবায়িত হইলো না? তিনি কি একজন দূরদর্শী বিপ্লবী ছিলেন, নাকি এমন একজন রাজনৈতিক কারিগর, যাঁর পরিকল্পনাই স্বাধীনতার পর দেশকে আরও অস্থির করে তুলেছিল? ২০২৩ সালে সিরাজুল আলম খান মারা যান। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী, তাঁকে তাঁর মায়ের শাড়িতে জড়িয়ে মায়ের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। কিন্তু মৃত্যুর পরও রহস্য শেষ হয় নাই। বাংলাদেশের স্বাধীনতার গল্পে শেখ মুজিবকে সবাই চিনে। জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সেনাপতি, ছাত্রনেতাদেরও আমরা কমবেশি চিনি। কিন্তু শেখ মুজিবের ঠিক পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লম্বা চুল আর দাড়িওয়ালা এই মানুষটাকে আমরা কয়জন চিনি? তিনি সিরাজুল আলম খান। দাদাভাই। স্বাধীন বাংলাদেশের নেপথ্যের এক কারিগর, আবার স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সবচেয়ে বিতর্কিত রাজনৈতিক অধ্যায়গুলোরও অন্যতম প্রধান চরিত্র।

জিন্নাহ কেন বালুচিস্তানকে প্রথমে পাকিস্তানের ভেতরে চাননি? | BBC Bangla

ইতিহাসের সবচেয়ে কুখ্যাত স্পাই রিং ! MI6 এবং CIA-কে বোকা বানানো সেই ৫ গুপ্তচর | The Cambridge Five

বাংলাদেশি DHURANDHAR এর হাতেই কি হাদির প্রাণ গেল?

মুসলিম হিসাবে দেশের বাহিরে কিভাবে settled হবো?

"Sir was terrified of death, and so am I" | Dr. Ejazul Islam | Humayun Ahmed | Agamir Somoy

EPISODE 87 | Bachelor Point | S5 | Nehal | Kabila | Habu | Pasha | Kajal Arefin Ome | Boom Films

Why Did Russia's Most Powerful Submarine Sink? Kursk Submarine Disaster

Bangladesh Army Anirban 2026 || 4K

কেন শুধু আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকেই বাংলাদেশের মানুষ SUPPORT করে?

চ্যালেঞ্জের মুখে বিএনপি; বাাঁচা ম/রার প্রশ্ন | সালাহ্ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী | Manchitro

Harald Schmidt bei Monika Gruber: Warum er nie mehr ins Fernsehen zurückkehrt!

Was Humayun Ahmed Really a "Commercial Hack"? | Humayun Ahmed | POST Entertainment

ফুটবল, স্পন্সর ও FIFA-ক্ষমতার যে খেলা আমাদের আড়ালে থাকে | FIFA World Cup 2026 | Yahia Amin

Will Balochistan Become Independent? Pinaki Bhattacharya || The Untold

The REAL reason the US can’t beat Iran

ডার্ক ওয়েবে আসলে কী হয়? | Inside the Dark Web

Pt.13 | Pradhan To Resign? | Govt Says Considering Demand - Ground Reality Shows Otherwise | Akash B

যেভাবে ১৫০ বছর বাঁচতে চেয়েছিলেন মাইকেল জ্যাকসন

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং রাজনীতির নানা সমীকরণ | আবু হেনা রাজ্জাকী | মেজর (অব.) ডেল এইচ খান

