জয় রাম | শ্রী শ্রী ঠাকুর রামচন্দ্র দেব'র ৫০তম (সুবর্ণ-জয়ন্তী) স্বরণোৎসব | বাকিলা | চাঁদপুর | ২০১৯
রাম ঠাকুরঃ রাম ঠাকুর (জন্মনাম রাম চন্দ্র চক্রবর্তী, ২ ফেব্রুয়ারি,১৮৬০-১ মে, ১৯৪৯) ১৯ শতকের একজন হিন্দু ধর্মগুরু এবং সাধক। ঊনবিংশ এবং বিংশ শতাব্দীর ভারতীয় সমাজ জীবনে কুসংস্কার, ব্রিটিশ রাজশক্তির সৃষ্টি করা ভেদ নীতি ও দাঙ্গার বিরুদ্ধে শুধু আধ্যাত্মিক চেতনায় মানুষকে বলীয়ান করাই নয়, সমাজ সংস্কারের এক সার্থক রূপকার ছিলেন রাম ঠাকুর। জন্মঃ ১৮৬০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ডিঙ্গামানিক গ্রামে শ্রীঁরাধামাধব চক্রবর্তী ও শ্রীমতি কমলাদেবীর সন্তান হিসাবে শ্রীশ্রী রামঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন। তারা ছিলেন চার ভাই ও এক বোন; কালীকুমার, কাশীমণি দেবী, জগবন্ধু এবং যমজ ভাই রাম ও লক্ষ্মণ। দুই যমজ ভাই ছিলেন অবিবাহিত। সাধন জীবনঃ কিশোর শ্রীশ্রী রামঠাকুর গুরুর নির্দেশে পাহাড়, মরুপথ পেরিয়ে গভীর অরণ্যের নিরালায় তপস্যায় বসলেন। কথিত আছে যে, হিমালয় পর্বতমালায় কখনও কৌশিকাশ্রম, কখনও বশিষ্ঠাশ্রম সহ বহু অজানা স্থানে বছরের পর বছর তপস্যা করে এবং তপস্যারত মুনিদের সেবাপূজায় সময় কাটিয়ে তিনি অষ্টসিদ্ধি অর্জন করেন। এর পর গুরুর নির্দেশে লোকালয়ে ফিরে মানবসেবায় নিয়োজিত হন। গুরুর কৃপায় তার কাছে অগম্য স্থান এবং অজ্ঞাত বস্তু বলে কিছু ছিল না। এর পর গুরু তাঁকে মাতৃসেবার জন্য বাড়ি ফিরতে আদেশ করেন। গুরুর নির্দেশ শিরোধার্য করে নিজের রোজগারে মাতৃসেবার জন্য তিনি নোয়াখালির অক্ষয় জর্জের বাড়িতে পাচকের কাজ নেন। শ্রীশ্রী রামঠাকুর নিষ্ঠার সঙ্গে রান্নার কাজ করতেন। সকলকে নিজের হাতের রান্না খাবার খাইয়ে আনন্দ পেলেও তিনি নিজে এ সব কিছুই খেতেন না। সামান্য দুধ এবং দু’এক টুকরো ফলাহারেই তাঁর শরীর ছিল সুস্থ ও সবল। অচিরেই কর্মদাতা জর্জ বুঝতে পারেন, তাঁর বাড়ির পাচক কোনও সামান্য মানুষ নন; এক মহাপুরুষ। শ্রীশ্রীঠাকুরের স্বরূপ জানার পর তিনি তাঁকে আর পাচকের কাজ করতে দেননি বরং ঠাকুরের মায়ের চিকিৎসার জন্য ঠাকুরকে তিনি নিয়মিত বেতন দিতে থাকেন। এরপর শ্রীশ্রী রামঠাকুর ফেণী শহরে এক অধীনে সরকারি কাজ নেন। সেই সময় নানা জাতের বহু মহিলা কর্ম সূত্রে ফেণী শহরে থাকতেন। তাঁদের আপন জন বলে কেউ ছিল না। শ্রীশ্রীঠাকুর নিজের হাতে রান্না করে এই সব মহিলাকে যত্ন সহকারে খাওয়াতেন। এদের কেউ অসুস্থ হলে মা বোনের মর্যাদায় সেবা করতেন। শ্রীশ্রীঠাকুরের এই সেবাপরায়ণতা দেখে তখনকার মহকুমা হাকিম কবি নবীনচন্দ্র সেন শ্রীশ্রী রামঠাকুর সম্পর্কে লিখেছেন, পরসেবায় ছিল তাঁর পরমানন্দ। জেলখানার ইটখোলার ঘরে পাবলিক ওয়ার্কস প্রভুদের আনন্দ দিতে কখনও কখনও বারাঙ্গনারা হাজির হত। শ্রীশ্রীঠাকুর তাদেরও রান্না করে খাওয়াতেন, মাতৃজ্ঞানে সেবাযত্ন করতেন। তৎকালীন কুসংস্কারচ্ছন্ন সমাজে যেখানে ছোঁয়াছুঁয়ির নামে শুচিবায়ুগ্রস্ত মনোভাব, বর্ণ বৈষম্যের মতো কুপ্রথার প্রভাব ছিল, তখন নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ পরিবারের অকৃতদার যুবকের এ হেন আচরণকে সমাজ বিপ্লবের এক উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে। কবি নবীনচন্দ্র সেন ‘আমার জীবন’ বইয়ের চতুর্থ ভাগে ‘প্রচারক না প্রবঞ্চক’ অংশে শ্রীশ্রী রামঠাকুরের কিছু অলৌকিক ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন। প্রাণিকুলের প্রতি শ্রীশ্রী রামঠাকুরের ছিল যথেষ্ট মায়ামমতা। ফুলের সুগন্ধের মতো তার আধ্যাত্মিক জ্ঞান, যৌগিক শক্তি, নানা বিভূতি প্রকাশিত হয়েছে। শ্রীশ্রী রামঠাকুর তার জীবনের অর্ধেক সময় লোকচক্ষুর আড়ালে গভীর যোগ সাধনায় মগ্ন ছিলেন। সাধনার মাধ্যমে যে মহাসত্য তিনি উপলিব্ধ করেছিলেন, তা বাকি ৪০ বছর (১৯০৮ থেকে ১৯৪৯) সকলের মঙ্গলে লোকালয়ে বিলিয়েছেন। তার কাছে, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, শুচি, অশুচির কোনও ভেদ ছিল না। সব ঘটনাই তিনি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করে ভক্তদের বোঝাতেন। প্রকৃত অর্থেই তিনি ছিলেন সমভাব নিরপেক্ষ শক্তির আধার। মন্দির, মসজিদ, গির্জায় নয়, শ্রীশ্রীঠাকুর অবস্থান করেছেন ভক্তের প্রয়োজনে, ভক্তের আলয়ে। লোকালয়ে থাকার প্রায় ৪৫ বছর তিনি মানব মুক্তির দিশা বিতরণ করেছেন। ভক্তদের তিনি বলতেন,‘আমি আপনাদের জন্য চাইখ্যা ‘নাম’ আনছি।’ বর্তমানে সদাব্যস্ত গার্হস্থ্য সমাজে এমন এক সহজ সরল অনাড়ম্বর ‘নাম’ করার নির্দেশ এবং সত্যের প্রতি অনুরাগ পৌঁছে দিতে পারে কৈবল্য মুক্তি। বৈষ্ণব, শৈব এবং শাক্ত মতে প্রয়োজনভিত্তিক নাম বিলি করে তিনি প্রকৃত অর্থেই ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে উঠে মানব সম্প্রদায়ের প্রচার করে গিয়েছেন। তিনি শুধু আধ্যাত্মিক গুরুই নন, তিনি জন্মজন্মান্তরের মা, বাবা ও বন্ধু। মৃত্যুঃ ১৯৪৯ সালের ১ মে অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্য লগ্নে চৌমুহনীতে অগণিত ভক্তকে চোখের জলে ভাসিয়ে ৯০ বছর বয়সে শ্রীশ্রী রামঠাকুর পরলোক যাত্রা করেন। মন্তব্যঃ রাম ঠাকুরের একনিষ্ঠ ভক্ত ডঃ যতীন্দ্রমোহন দাশগুপ্ত'কে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন- সমুদ্রেরও একটা কূল আছে, কিন্তু তোমার ঠাকুরের কোনও কূলকিনারা নেই। কৈবল্যধাম আশ্রম প্রতিষ্ঠাঃ শ্রীশ্রী রামঠাকুরের নির্দেশে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ১৯৩০ সালে কৈবল্যধাম আশ্রম এবং ১৯৪২ সালে কলকাতার দক্ষিণ শহরতলির যাদবপুরে কৈবল্যধাম আশ্রম তৈরি হয়। এছাড়া, ১৯৪৩ সালে তার জন্মভিটা ডিঙ্গামানিক গ্রামে সত্যনারায়ণ সেবা মন্দির তৈরি হয়। নামপ্রার্থীদের জন্য এক নির্দিষ্ট প্রথায় মোহান্ত পরম্পরা মারফত নাম বিতরণের তিনি ব্যবস্থা করে গিয়েছেন।

শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ সেবা মন্দির, ডিঙ্গামানিক। The Birth Place of Sri Sri Ram Thakur, Dingamanik

ভগবান নয় আপনার বিশ্বাস আপনাকে বাঁচাবে / জ্যোতিষ আচার্য শ্রী দেবাশীষ দে

Kadamba Kanana Swami - Day 1 - Radhadesh Mellows 2020

এখান থেকে রাবণের মহল খুব কাছে

৫১ সতীপীঠ: দেবী মহালক্ষ্মী, সিলেট, বাংলাদেশ। 51 Sotipeeth: Devi Mahalaxmi, Sylhet, Bangladesh #viral

Santo Rosário | Sexta-feira | 04:00 | 03/07/2026 | Live Ao vivo

Bakila, Chandpur || বাকিলা, চাঁদপুর || Green Highway Road

رقية البيت | سورة الفاتحة البقرة الكهف يس الواقعة الرحمن الملك الصافات الدخان الجن الزلزلة الاخلاص,

শ্রোতাদের চোখ ভেজাবে রাধারানীর এই ৫টি গানে | Top 5 Radharani Devotional Songs 2026

স্বামী রূপে জীবনে কে আসে? পূর্বজন্মের কোন কর্মের ফলে কেমন স্বামী পাওয়া যায়? | Past Life Connection

Sandhya Arati Sri Dham Mayapur - July 6, 2026

Jai Ram | Ram Thakur | Thakur Bari | Dingamanik | Naria | Shariatpur | Bangladesh. @rajatworld2026

শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের জন্মস্থান, শ্রী শ্রী সত্যনারায়নের সেবা মন্দির। ডিঙ্গামানিক, শরীয়তপুর।

The Frequency of God 963 Hz - Attract love, protection, wealth, miracles and blessings without limit

HÃY HỌC CÁCH ĐỂ NÂNG CẤP NĂNG LƯỢNG CỦA BẢN THÂN NHANH CHÓNG - Thánh Đức Đalai Lama

श्री हनुमान चालीसा 🌺🙏| Shree Hanuman Chalisa Original Video |🙏🌺| GULSHAN KUMAR | HARIHARAN | Full HD

قرآن للمساعدة على النوم والراحة النفسية😴تلاوة هادئة تريح الاعصاب وتجلب البركة💚

#RamthakurAsramJadavpur #26Feb2025 #83tamoPratisthaBarshikiUtsav

বাংলাদেশের বৃহৎ বৈষ্ণব তীর্থস্থান, ফরিদপুরের পবিত্র ধাম, শ্রী জগদ্বন্ধু সুন্দরের শ্রীঅঙ্গন ভ্রমণ ।

