বড় মসজিদ রাজবাড়ী।। ।। ১০ই মহরম।। তাজিয়া মিছিল।। Rajbari Sadar, Rajbari
১০ ই মহররমের স্মরণীয় কিছু ঘটনা ও ইসলামের অশেষ শক্তির উত্স বার্তা সংস্থা আবনা : ১৩৭৩ বছর আগে ৬১ হিজরির এই দিনে সংঘটিত হয়েছিল বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে বিয়োগান্তক ঘটনা বা ট্র্যাজেডি। ইরাকের কারবালায় বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)'র প্রায় ১০০ জন সঙ্গী মৃত্যু ও রক্তের সাগরে ভেসে ইসলামকে দিয়ে গেছেন পরমাণু শক্তির চেয়েও লক্ষ কোটি গুণ বেশি শক্তিশালী বিপ্লবের তথা শাহাদতের সংস্কৃতির বাস্তব শিক্ষা। কারবালার এ বিপ্লব আধুনিক যুগে সংঘটিত ইরানের ইসলামী বিপ্লবসহ যুগে যুগে সব মহতী বিপ্লবে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। জালিম ও দুরাচারী পাপিষ্ঠ ইয়াজিদকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার করায় হযরত ইমাম হুসাইন (আ.) ও তাঁর পরিবারের সব পুরুষ সদস্যসহ (কেবল ইমাম যেইনুল আবিদিন আ. ছাড়া) ইমামের একনিষ্ঠ সমর্থক এবং নবী-পরিবারের প্রেমিক একদল মুমিন মুসলমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল কারবালায়। ইয়াজিদের আনুগত্য করতে ইমামের অস্বীকৃতির খবর জানার পর কুফার প্রায় এক লাখ নাগরিক চিঠি ও প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল ইমাম (আ.)-কে যাতে তারা প্রকৃত ইসলামী শাসনের স্বাদ পেতে পারে এবং মুক্ত হয় ইয়াজিদের কলঙ্কিত শাসনের নাগপাশ থেকে। তাই ইমাম (আ.)ও মক্কা থেকে রওনা হয়েছিলেন কুফার উদ্দেশ্যে যাতে তাদের সহযোগিতায় ইয়াজিদের রাজতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা যায়। কিন্তু ইয়াজিদের গভর্নর ও প্রশাসনের নানা ধরনের ভয়-ভীতি এবং প্রলোভনের মুখে কুফায় ইমামপন্থী জনগণ ইমামের প্রতিনিধিকেই সহায়তা দিতে ব্যর্থ হয় এবং ইমামের প্রতিনিধি মুসলিম ইবনে আকিল (রা.) নির্মমভাবে শহীদ হন। এ অবস্থায় ইমাম কুফার জনগণের সহায়তার ব্যাপারে নিরাশ হয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতি পালনের জন্য কুফার দিকে যাত্রা অব্যাহত রাখেন যাতে কেউ তাকে ভীতু, কাপুরুষ ও আপোসকামী বলে অভিযোগ করতে না পারেন। যদিও তিনি জানতেন কুফায় তাঁকে ও তাঁর পরিবার এবং সঙ্গীদেরকে শহীদ করা হতে পারে, তবুও তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মৃতপ্রায় ইসলামকে জীবিত করার স্বার্থে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার তথা শাহাদতের জন্যও প্রস্তুত ছিলেন। ইমাম দূরদর্শিতার মাধ্যমে বুঝতে পেরেছিলেন যে নবী-পরিবারের রক্তদান বৃথা যাবে না এবং একদিন জনগণ জেগে উঠবে। কুফায় পৌঁছার আগেই কারবালায় ইমামকে তাঁর পরিবার-পরিজন ও সঙ্গীসহ ঘেরাও করে ইয়াজিদ-বাহিনী। হয় ইয়াজিদের আনুগত্য নতুবা মৃত্যু -এ দুয়ের যে কোনো একটি পথ বেছে নিতে বলা হয়েছিল তাঁদেরকে। কিন্তু তাঁরা বীরোচিতভাবে লড়াই করে শহীদ হওয়ার পথই বেছে নিয়েছিলেন। ইমাম যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। আর এ জন্যই তিনি তাঁর পরিবারের শিশু ও নারীদেরও সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। দশই মহররম যুদ্ধ যখন অনিবার্য তখনও ইমাম (আ.) ইয়াজিদ বাহিনীকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তারা এক অন্যায় যুদ্ধ শুরু করতে যাচ্ছে নবী-পরিবারের নিষ্পাপ সদস্য ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে। কিন্তু অর্থ লোভী ও হারাম খাদ্য খেতে অভ্যস্ত ইয়াজিদ বাহিনীর নেতা-কর্মীদের মনে কোনো উপদেশই প্রভাব ফেলছিল না। অবশ্য হোর ইবনে ইয়াজিদ (রা.) নামক ইয়াজিদ বাহিনীর একজন কর্মকর্তা তার ভুল বুঝতে পেরেছিলেন এবং তিনি তার কয়েকজন আত্মীয় ও সঙ্গীসহ ইমামের শিবিরে যোগ দেন ও শেষ পর্যন্ত বীরের মত লড়াই করে শহীদ হয়েছিলেন। ইমামের দিকে সর্ব প্রথম তীর নিক্ষেপ করেছিল ইয়াজিদ বাহিনীর সেনাপতি ওমর ইবনে সাদ। ইমামের জন্য জান-কুরবান করতে প্রস্তুত পুরুষ সঙ্গীদের প্রায় সবাই ত্রিশ হাজার মুনাফিক সেনার বিরুদ্ধে মহাবীরের মত লড়াই করেন এবং বহু মুনাফিক সেনাকে জাহান্নামে পাঠিয়ে একে-একে শহীদ হন। ইমামের প্রায় ১৮ বছর বয়সী সুদর্শন যুবক পুত্র হযরত আলী আকবর-রা.(যিনি ছিলেন দেখতে এবং আচার-আচরণে অবিকল রাসূল-সা. সদৃশ। এমনকি তাঁর কণ্ঠও ছিল রাসূল সা.-এর কণ্ঠের অনুরূপ। কারবালা ময়দানে তাঁর আজান শুনে অনেক বয়স্ক শত্রুও চমকে উঠেছিল ) বহু মুনাফিককে জাহান্নামে পাঠিয়ে শহীদ হন। একইভাবে শহীদ হন ইমাম হাসান (আ.)'র পুত্র হযরত কাসিম (রা.)। সম্মুখ যুদ্ধে তাঁদের সঙ্গে কেউই পারছিলেন না। শত্রুরা যখন দেখত যে ইমাম শিবিরের প্রত্যেক পিপাসার্ত বীর সেনা তাদের বহু সেনাকে হত্যা করতে সক্ষম হচ্ছেন তখন তারা ওই বীর সেনাকে ঘেরাও করে ফেলত এবং দূর থেকে বহু তীর বা বর্শা নিক্ষেপ করে কাবু করে ফেলত। ফোরাতের পানি ইমাম শিবিরের জন্য কয়েকদিন ধরে নিষিদ্ধ থাকায় নবী-পরিবারের সদস্যরাসহ ইমাম শিবিরের সবাই ছিলেন পিপাসায় কাতর। প্রচণ্ড গরমে শিশুদের অবস্থা হয়ে পড়ে শোচনীয়। এ অবস্থায় ইমাম তাঁর দুধের শিশু আলী আসগর (রা.)'র জন্য শত্রুদের কাছে পানি চাইলে ওই নিষ্পাপ শিশুর গলায় তীর নিক্ষেপ করে তাঁকে শহীদ করে। শিশুদের জন্য পানি আনতে গিয়ে বীরের মত লড়াই করে ও দুই হাত হারিয়ে নির্মমভাবে শহীদ হন ইমামের সত ভাই হযরত আবুল ফজল আব্বাস (রা.)। তিনি ছিলেন ইমাম বাহিনীর অন্যতম সেনাপতি এবং বহু শত্রুকে জাহান্নামে পাঠিয়েছিলেন । নবী পরিবারের কয়েকজন শিশুও বীরের মত লড়াই করে শহীদ হয়েছিলেন। নবী (সা.)'র পরিবারের সদস্যরা বাহ্যিক ও আত্মিক সৌন্দর্যে ছিলেন অনন্য। অর্থাত তারা দেখতে যেমন অপরূপ সুন্দর ছিলেন তেমনি আচার-আচরণেও ছিলেন শ্রেষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী। #rajbari sadar rajbari#10 mohorom#occession of rajbari#দেখার আছে অনেক কিছু ১০ ই মহরম#আশুরার তাজিয়া মিছিল#রাজবাড়ী সদর#রাজবাড়ী

ধুন্চী ঈমাম বাড়ী রাজবাড়ী আয়োজনে মহরম পাকের মুনজিল।

রাজবাড়ীর ধ্বংসাবশেষ এর শেষ অবস্থা।। বিভিন্ন জায়গার পুড়ানোর দৃশ্য।। অবাক করা ঘটনা।। Voice of Camera.

ঘরের উন্নতির জন্য সূরা বাকারা প্রতিদিন শুনুন I Surah Al Baqarah Full Quran Recitation | Alaa Aqel

প্রতি রাতে নারীদের ভোগ করতেন দুবলহাটির এই রাজা | দুবলহাটি রাজবাড়ি নওগাঁ | Dubolhati Rajbari Naogaon

১০ই মুহররম আশুরার শোক মিছিল পাক আঞ্জুমানে ক্বাদেরীয়া মসজিদে ইমাম হুসাইন (আঃ) সাঃ পাক দুলাই, পাবনা।

where is gopal bhar house | gopal var | gopal bharer barir khoje | gopal bhar o tar bari | patackson

১০ই মহররম কারববালা শেষ সালামি ২০২৫ Khalishpur Moharam 2025। খালিশপুর মহররম ২০২৫

মাটির হাড়ি কাচ্চি 🔥 ১১০০ টাকায় ৪ জনের জন্য এক হাড়ি বাসমতি চালের খাসির কাচ্চি বিরিয়ানি 🤩

তাজিয়া মিছিলে ঢল, কারবালার বিয়োগান্ত স্মরণে মাতম | Tajia Rally | Ashura | Muharram | Somoy TV

🔴 Makkah Live | مكة مباشر | الحرم المكي مباشر | قناة القران الكريم السعودية مباشر | مكه المكرمه

See the entire view of the main city of Rajbari district at a glance || Rajbari city market || He...

ঘরে শান্তি ও নিরাপত্তা আনতে সূরা বাকারা প্রতিদিন শুনুন | Powerful Surah Baqarah | Ahmed Al Shalabi

শাজাহানের বেডরুম, যেন স্বর্ণে মোড়ানো প্রাসাদ | শিশমহলটাও দেখার মতো Shish Mahal | Glass Palace Agra

পবিত্র মহরম মাসের আশুরা উপলক্ষে আঞ্জুমান কাদেরিয়া তরিকার মুরিদান দের মিছিল পাক অনুষ্ঠিত

বাসর রাতেই কেন কাজী নজরুল স্ত্রী নার্গিসকে ফেলে চলে গেলেন? আর ফিরলেন না।বাস্তব প্রেম কাহিনি!

Surah Yasin (Yaseen) سورة يس | Relaxing heart touching voice | Zikrullah TV

রাজবাড়ীর ক্ষীর চমচমের কদর দেশ ছাপিয়ে বিদেশও | Rajbari Mishti

একটি সেতুতেই বদলে যেত ৩০ হাজার মানুষের জীবন যাত্রার মান | হিরু মোল্লার ঘাট | কালুখালী | Rajbari

রাজা সীতারাম রায়ের রাজবাড়ী | ৩০০ বছর পূর্বের ইতিহাস, মোহাম্মদপুর, মাগুরা| Raja Sitaram Roy | Magura

