ঐতিহাসিক খেজুরি ( ভারতের প্রথম ডাকঘর ) | Khejuri First Post Office in India
#bangladocumentary #khejuri Disclaimer Video is for educational purposes only. Copyright Disclaimer Under Section 107 of the Copyright Act 1976,allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment,news reporting, teaching, scholarship and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use. ভারতের প্রথম ডাকঘর কিংবা ইতিহাসের কুখ্যাত ‘মগের মুলুক’ হিসেবে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত ছোট্ট একটি গ্রাম খেজুরি তখন ছিল হিজলি রাজ্যের অন্তর্গত । বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা প্রাচীন জনপদ হিজলি রাজ্যে ষোড়শ ও সপ্তদশ শতকে মগ সাহায্যপুষ্ট পর্তুগিজ জলদস্যুরা লুঠ সন্ত্রাস আর বিভীষিকার যে রাজত্ব কায়েম করেছিল ইতিহাসে তা ‘মগের মুলুক’ নামে পরিচিত। প্রাচীন জনপদ খেজুরি সেইসময় হিজলি রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। আর সেই খেজুরি বিখ্যাত ছিল দেশের অন্যতম বাণিজ্যবন্দর হিসেবেও। মহেন্দ্রনাথ করণের ‘হিজলির মসনদই-আলা’ ও কাঁথি প্রভাতকুমার কলেজের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক প্রেমানন্দ প্রধানের ‘হিজলিনামা’ বই থেকে জানা যায়, ষোড়শ শতকের গোড়ায় সুপ্রাচীন তাম্রলিপ্ত বন্দরের গরিমা যখন লুপ্তপ্রায় তখনই বঙ্গোপসাগরের হুগলি নদীর মোহনার পশ্চিমদিকে পলি জমে প্রথমে হিজলি ও কিছু পরে খেজুরি নামে দু’টি দ্বীপ জেগে উঠেছিল। দু’টি দ্বীপের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া কাউখালি নদীর জন্য হিজলি ও খেজুরি দুটি দ্বীপ পৃথক ছিল। কাউখালি নদী দিয়ে মগ ও পর্তুগিজ দস্যুরা সমুদ্রপথে যাতায়াতকারী বিভিন্ন বজরা ও জাহাজে লুঠপাট চালাত। তাই বিদেশি নাবিকরা কাউখালি নদীকে ‘শয়তানের নদী’ বলে আখ্যা দিয়েছিল। ১৫১৪ সালে পর্তুগিজরা ওড়িশা উপকূল ধরে হিজলিতে প্রথম এসে বাণিজ্যকেন্দ্র গড়ে তুলেছিল। ১৬২৮ সালে জাহাঙ্গিরের শাসনকালে রহমত খাঁ হিজলি দ্বীপে পাঠান রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। পাঠান বংশের তাজ খাঁ মসনদ হিজলিকে রাজধানী করেন। তিনি হিজলিতে সুদৃশ্য মসজিদ তৈরি করেছিলেন। কালের নিয়মে হিজলি দ্বীপ একসময় সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে গেলেও মসনদ–ই আলার সেই মসজিদ ও মাজার আজও খেজুরি থানার নিজকসবা গ্রামে প্রাচীন ঐতিহ্য আর স্থাপত্য আর সম্প্রীতির নির্দশন হিসেবে বিরাজমান। প্রতি বছর চৈত্র মাসে হিন্দু-মুসলমান ভক্তদের উপস্থিতিতে মসজিদ ও মাজারে ‘ইসালে সওয়াব’ বা জলসা হয়। ভক্তদের গলায় ‘চৌদিকেতে লোনাপানি মধ্যেতে হিজলি, তাহাতে বাদশাহী করে বাবা মসন্দলী’ মুহুর্মুহু ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে চারদিক। কাউখালি নদী একসময় মজে গেলে হিজলি আর খেজুরি মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়। ধীরে ধীরে খেজুরি এশিয়া, ইউরোপ-সহ বহির্বিশ্বের সঙ্গে জলপথের অন্যতম বন্দর হিসেবে গড়ে উঠে। বন্দরকে ঘিরেই গড়ে উঠে আধুনিক বাণিজ্য নগর। তৈরি হয়েছিল দেশের প্রাচীন ডাকঘর, প্রথম টেলিগ্রাফ অফিস, বাতিঘর আর ইউরোপীয়দের সমাধিক্ষেত্র। ১৮৩০ সালের ১৯ নভেম্বর রাজা রামমোহন রায় এই খেজুরি বন্দর হয়েই সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন। পরে ১৮৪২ ও ১৮৪৫ সালে দ্বারকানাথ ঠাকুরও এই বন্দর দিয়েই বিদেশযাত্রা করেছিলেন। খেজুরির আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক মিহিরকুমার প্রধান বলেন, ‘‘বিদেশি নাবিকরা সেইসময় খেজুরিকে ‘কেডগিরি’, ‘ক্যাজুরি,’ ‘কাদজেরী’ ও ‘গ্যাজুরী’ প্রভৃতি নামে সম্বোধন করতেন। জাহাজে করে প্রয়োজনীয় চিঠিপত্র খেজুরি বন্দরে আসত বলে খেজুরিতেই গড়ে উঠেছিল প্রথম ডাকঘর বা কেডগিরি পোস্ট অফিস।’’ মহেন্দ্রনাথ করণের ‘খেজুরি বন্দর’ ও যোগেশ্চন্দ্র বসুর ‘মেদিনীপুরের ইতিহাস’ সূত্রে জানা যায়, ‘খেজুরি বন্দর থেকে কলকাতা পর্যন্ত প্রতিদিন ডাক যাতায়াতের জন্য ছোট ছোট ছিপে করে ডাকনৌকা বা ব্যবস্থা ছিল। দ্রুতগামী এই ডাকনৌকা নামধারী ছিপে করেই ডাক পাঠানো হত। বিলেত থেকে জাহাজ খেজুরি বন্দরে পৌঁছান মাত্র কলকাতার বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিনিধিরা বিলাতি সংবাদ সংগ্রহ করে দ্রুতগামী ছিপে করেই কলকাতায় যেতেন। খেজুরি বা কেডগিরি পোস্ট অফিসের দোতলা থেকেই ১৮৫১-৫২ সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক উইলিয়াম ওশাগনেশির আবিস্কৃত যন্ত্র সাহায্যে কলকাতা থেকে ডায়মন্ডহারবার, ডায়মন্ডহারবার থেকে কুঁকড়াহাটি ও কুঁকড়াহাটি থেকে খেজুরি পর্যন্ত ভারতবর্ষের প্রথম টেলিগ্রাফ লাইন চালু হয়। ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত এই যন্ত্র পদ্ধিতিতে টেলিগ্রাফ চালু থাকার পর ওই বছর বিলেত থেকে আমদানি করা মর্স সাহেবের ডট ও ড্যাসের বর্ণমালা যুক্ত টেলিগ্রাফ চালু হয়। ১৮৬৩ সাল পর্যন্ত খেজুরি বন্দরের অস্তিত্ব থাকার পর ১৮৬৪ সালের বিধ্বংসী বন্যায় খেজুরি বন্দরের বিলুপ্তি ঘটে। কালের বিবর্তনে সবই খণ্ডহরে পরিণত হয়ে খেজুরির সোনালী অতীতের গৌরবময় ইতিহাসের নির্মম সাক্ষী হিসেবে বিরাজমান। তথ্যসূত্র- বঙ্গদর্শন, আনন্দবাজার পত্রিকা 23 শে আগস্ট 2015, প্রহর,খেজুরির বাসিন্দা ও ইতিহাস গবেষক অরিন্দ্র বেরা এশিয়াটিক সোসাইটি ও ন্যাশনাল লাইব্রেরীতে উল্লেখিত । মহেন্দ্রনাথ করনের "হিজলি মসনদ ই আলা"ও কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক প্রেমানন্দ প্রধানের হিজলি নামা বই থেকে জানা যায় . .

বাঘের ডেরায় আমরা! সুন্দরবনের নদীতে মাছ ধরা ও খাওয়া-দাওয়া 🍛🚣♂️ | Sundarban Jungle Night Fishing

জলাবদ্ধতা আর যানজটে পঙ্গু রাজধানী

সপ্তগ্রামের গল্প | The Lost Port City of Bengal | Adi Saptagram | Deep | Full Pant Edition | EP 22

বাংলাদেশের সঙ্গে মিটিং করেই China Submarine থেকে Nuclear ফায়ার করল, Indiaর মহাবিপদ | Bangladesh | WN

পাকিস্তানের জনতা Indian Army কে Border ভেঙে ঢুকতে বলল, 'ইন্ডিয়া আমাদের বাঁচান' | Pakistan | POK

বেলা অবেলা সারাবেলা / খলিল উল্যাহ্ খান এবং আসাদুজ্জামান নূর। DeshTv

'স্যার,ভুল ম্যাপ!', Bangladesh Jammu-Kashmir কে পাকিস্তানি অংশ দেখাতেই ফুঁসে উঠলেন ভারতীয় তরুণী! WN

গোসানিমারি দুর্গের ভয়ঙ্কর ইতিহাস | Lost Capital of the Khen Kings | Deep | Full Pant Edition | EP 27

সপ্তগ্রাম | বাংলার হারানো বন্দরনগরীর অবিশ্বাস্য ইতিহাস | History of Saptagram

সম্রাট শাহজাহান ও তার কন্যা শাহজাদী জাহানারা | যে গোপণ সত্য আপনি জানেন না | Shahjahan and Jahanara

India Pakistan 1971 War | Why it happened? | Bangladesh Liberation | Dhruv Rathee

INDIA: The Civilization Every Empire Tried to Hold | 4K Travel Documentary

কালো জাদুর দেশ মায়াং গ্রামে তা'ন্ত্রি'কদের আদি নিবাস | Black Magic : Mayong Village | Assam

বুদ্ধকে হত্যার চক্রান্ত থেকে চাণক্যের বিষনীতি ! Gautam Buddha assassination | রহস্যময় ইতিহাস

প্রতিদিন ডিম খেলে কী হয়? | কোলেস্টেরল, হার্ট ও ডায়াবেটিস রোগীরা কটা ডিম খাবেন? | ডিম খেলে কি উপকার?

ডল থেকে ডলি জহুর! | ডলি জহুর | Doly Johur | The RJ Kebria Show | Nexus Television

I CAN'T BELIEVE KOLKATA IS LIKE THIS! 🇮🇳 India vlog

সিদ্দিকুল্লার একি হল! গলা যে শুকিয়ে গেল...! ওদিকে লায়েক গ্রেফতার। মুখ্যমন্ত্রীর হুঙ্কার..

BANGLADESH: The Most TOXIC Country in the WORLD 🇧🇩

