না জানি কেমন রুপ সে। লালনগীতি। অন্তর। যে রুপের সৌরভে ত্রিভুবন মোহিত করেছে।lalongeetiলালনগীতি। অন্তর।
Welcome to Antor official YT channel না জানি কেমন রুপ সে। লালনগীতি। অন্তর।যে রুপের সৌরভে ত্রিভুবন মোহিত করেছে।lalongeetiলালনগীতি।অন্তর। সুরকার ও গীতিকার : ফকির লালন শাহ্। উকুলেলে / কন্ঠ : অন্তর তবলা : উজ্জ্বল সাধু না জানি কেমন রূপ সে। নামের সৌরভে যার ত্রিভুবন মোহিত করেছে। দেখতে মনে হয় বাসনা পাইনে তার উপাসনা কোথায় বাড়ি কোথায় ঠিকানা খুঁজে পাব কোন দেশে। আকার কি সাকার ভাবিব নিরাকার কি জ্যোতি রূপ এ কথা কারে শুধাব সৃষ্টি করলেন কোথায় বসে। উপদেশে গোল যদি রয় কি ভাবিয়ে কি করে যায় গোলে হরি বললে কি হয় লালন ভেবে পায় না দিশে। বাংলা ফোক ও লালনগীতি গান শুনতে সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন। জয় গুরু 🙏🏻 Facebook : https://www.facebook.com/profile.php?... Instagram : https://instagram.com/justinantor?igs... Youtube : / @antorofficial996 আমাদের চ্যানেলের আরো গান : • লালনগীতি 🙏 #lalongeetiলালনগীতি #folksong #antorofficial লালনের গান লালনগীতি বা লালন সংগীত হিসেবে পরিচিত।লালন তার সমকালীন সমাজের নানান কুসংস্কার, সাম্প্রদায়িকতা, সামাজিক বিভেদ ইত্যাদির বিরুদ্ধে তার রচিত গানে তিনি একই সাথে প্রশ্ন ও উত্তর করার একটি বিশেষ শৈলী অনুসরণ করেছেন। এছাড়া তার অনেক গানে তিনি রূপকের আড়ালেও তার নানান দর্শন উপস্থাপন করেছেন। বাউল একটি বিশেষ লোকাচার ও ধর্মমত। লালনকে বাউল মত এবং গানের একজন অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।লালনের গানের জন্য উনিশ শতকে বাউল গান জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বাউল গান মানুষের জীবন দর্শন সম্পৃক্ত বিশেষ সুর সমৃদ্ধ। বাউলরা সাদামাটা জীবনযাপন করেন এবং একতারা বাজিয়ে গান গেয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ানোই তাদের অভ্যাস।বাংলা লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ অংশ। ২০০৫ সালে ইউনেস্কো বাউল গানকে বিশ্বের মৌখিক এবং দৃশ্যমান ঐতিহ্যসমূহের মাঝে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করে। বাউলেরা উদার ও অসাম্প্রদায়িক ধর্মসাধক। তারা মানবতার বাণী প্রচার করেন। বাউল মতবাদের মাঝে বৈষ্ণবধর্ম এবং সূফীবাদের প্রভাব লক্ষ করা যায়।বাউলরা সবচেয়ে গুরুত্ব দেন আত্মাকে।তাদের মতে আত্মাকে জানলেই পরমাত্মা বা সৃষ্টিকর্তাকে জানা যায়। আত্মা দেহে বাস করে তাই তারা দেহকে পবিত্র জ্ঞান করেন। সাধারণত অশিক্ষিত হলেও বাউলরা জীবনদর্শন সম্পর্কে অনেক গভীর কথা বলেছেন।বাউলরা তাদের দর্শন ও মতামত বাউল গানের মধ্য দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। লালনের গান "লালনগীতি" বা কখনও "লালন সংগীত" হিসেবে প্রসিদ্ধ। লালন মুখে মুখে গান রচনা করতেন এবং সুর করে পরিবেশন করতেন। এ ভাবেই তার বিশাল গান রচনার ভাণ্ডার গড়ে ওঠে। তিনি সহস্রাধিক গান রচনা করেছেন বলে ধারণা করা হয়।তবে তিনি নিজে তা লিপিবদ্ধ করেন নি। তার শিষ্যরা গান মনে রাখতো আর পরবর্তীকালে লিপিকার তা লিপিবদ্ধ করতেন। আর এতে করে তার অনেক গানই লিপিবদ্ধ করা হয় নি বলে ধারণা করা হয়। লালনের গানে মানুষ ও তার সমাজই ছিল মুখ্য। লালন বিশ্বাস করতেন সকল মানুষের মাঝে বাস করে এক মনের মানুষ। আর সেই মনের মানুষের সন্ধান পাওয়া যায় আত্মসাধনার মাধ্যমে। দেহের ভেতরেই মনের মানুষ বা যাকে তিনি অচিন পাখি বলেছেন, তার বাস। সেই অচিন পাখির সন্ধান মেলে পার্থিব দেহ সাধনার ভেতর দিয়ে দেহোত্তর জগতে পৌঁছানোর মাধ্যমে। আর এটাই বাউলতত্ত্বে 'নির্বাণ' বা 'মোক্ষ' বা 'মহামুক্তি' লাভ। তিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে মানবতাবাদকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছেন। তার বহু গানে এই মনের মানুষের প্রসঙ্গ উল্লিখিত হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করতেন মনের মানুষ এর কোন ধর্ম, জাত, বর্ণ, লিঙ্গ, কূল নেই। মানুষের দৃশ্যমান শরীর এবং অদৃশ্য মনের মানুষ পরস্পর বিচ্ছিন্ন, কিন্তু শরীরেই মনের বাস। সকল মানুষের মনে ঈশ্বর বাস করেন।লালনের এই দর্শনকে কোন ধর্মীয় আদর্শের অন্তর্গত করা যায় না।লালন, মানব আত্মাকে বিবেচনা করেছেন রহস্যময়, অজানা এবং অস্পৃশ্য এক সত্তা রূপে। খাঁচার ভিতর অচিন পাখি গানে তিনি মনের অভ্যন্তরের সত্তাকে তুলনা করেছেন এমন এক পাখির সাথে, যা সহজেই খাঁচারূপী দেহের মাঝে আসা যাওয়া করে কিন্তু তবুও একে বন্দি করে রাখা যায় না। লালনের সময়কালে যাবতীয় নিপীড়ন, মানুষের প্রতিবাদহীনতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি-কুসংস্কার, লোভ, আত্মকেন্দ্রিকতা সেদিনের সমাজ ও সমাজ বিকাশের সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সমাজের নানান কুসংস্কারকে তিনি তার গানের মাধ্যমে করেছেন প্রশ্নবিদ্ধ।টীকা আর সে কারণেই লালনের সেই সংগ্রামে বহু শিষ্ট ভূস্বামী, ঐতিহাসিক, সম্পাদক, বুদ্ধিজীবী, লেখক এমনকি গ্রামের নিরক্ষর সাধারণ মানুষও আকৃষ্ট হয়েছিলেন । সমগ্র বিশ্বে,বিশেষ করে বাংলাদেশসহ সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে লালনের গান বেশ জনপ্রিয়। শ্রোতার পছন্দ অনুসারে বিবিসি বাংলার করা সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের তালিকায় লালনের "খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়" গানটির অবস্থান ১৪তম। আত্মতত্ত্ব,দেহতত্ত্ব,গুরু বা মুর্শিদতত্ত্ব, প্রেম-ভক্তিতত্ত্ব,সাধনতত্ব,মানুষ-পরমতত্ত্ব, আল্লাহ্-নবীতত্ত্ব, কৃষ্ণ-গৌরতত্ত্ব এবং আরও বিভিন্ন বিষয়ে লালনের গান রয়েছে। collect from-Wikipedia.

লালনগীতি । আর কি আমার সাধু দর্শন হবে ।বাউল শাহাবুল।পদাবলী ফকির লালন শাই

কাঙাল বলে হলোনা আর তোমার পূজার আয়োজন।।জালালগীতি।।অন্তর

লন্ঠনে রুপের বাতি।। লালনগীতি।। অন্তর।।

মহা ভাবের মানুষজনা।। লালনগীতি।। অন্তর।। ও তার আঁখি দুটি ছলছল মৃদুহাসি বদনখানা।। লালনগীতি।। অন্তর

সে কি আমার কবার কথা। লালনগীতি। অন্তর।হৃদ গৌড় এসে হৃদে বসে করলো আমার মন চুরি। অন্তর লালন।লালনগীতি।

যে দেখেছে বন্ধুর ঐ রুপ। সে তো আর ভুলবেনা। পান্জু শাহ্। অন্তর।

Je Preme Shyam Gour Hoyeche | Lyrical Music Video | Lalon Lyrics | Pappu Fakir | Lalon Shah

সে জানে আর আমি জানি | Lalon Shah | Mohammad Alamin | Folk song 2025 | @vaber-tori

রূপের তুলনা রূপে || Ruper Tulona Rupe || মহাত্মা সাধক বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইজী

আর কি বসবো এমন সাধুর সাধ বাজারে।লালনগীতি।অন্তর।

কাঙ্গাল বলে হলো না আর, তোমার পূজার আয়োজন | দিনা মন্ডল | Folk Song | Channel Lalon

যে দেখেছে বন্ধুর ঐ রূপ, সে তো আর ভুলবে না।। পাঞ্জু শাহের গান । টুনটুন বাউল

হেলায় হেলায় দিন বয়ে যায়। লালনগীতি।অন্তর। আর কি হবে মানব জনম বসবো সাধুর মেলে।। লালন শাহ্। অন্তর

তুমি তো জানোরে দয়াল আমি কোন হালে আছি। টুটুল ভেঁড়ো। Studio ZERO

Se Jane Ar Ami Jani By Eiltuth Shadhu | সে জানে আর আমি জানি | ইলতুথ সাধু | সাঁইজির বারামখানা

বিষয় বিষে চঞ্চলা মন দিবা রজনী।লালনগীতি।অন্তর

পাপীর আছে তোমার কাছে দয়া পাইতে অধিকার |বাউল সুনীল কর্মকার | জালাল গীতি | BaulGaan2026 @akkhobat

সাধুর সাধ বাজারে | Sadhur Sadh Bazare | Laltu | লালনগীতি | Bangla Baul Gaan Lalongeeti Vedeo

আমি অপার হয়ে বসে আছি | লালনের আত্মসমর্পণের গান | পেন্সিল আর্ট বাউল গান ২০২৫ | Baul Visual

