জগন্নাথ দেব ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ। ঠাকুর ও শ্রী মায়ের জীবন ওতপ্রোতভাবে জগন্নাথদেবের সঙ্গে যুক্ত।
পুরীর জগন্নাথ... যিনি জগতের নাথ। যার কাছে একবার গেলে আর ফিরতে ইচ্ছা করে না। এই জগন্নাথই ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ আর মা সারদার জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছেন ঠাকুরের জন্মের আগেই জগন্নাথ যুক্ত। ঠাকুরের বাবা ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায় পুরীধামে তীর্থে গিয়েছিলেন। সেখানে স্বপ্নে জগন্নাথ তাকে বললেন - 'আমি তোমার ছেলে হয়ে আসব।' তার কিছুদিন পরেই কামারপুকুরে গদাধরের জন্ম। দক্ষিণেশ্বরে থাকাকালীন ঠাকুর প্রায়ই রথের ভাব করতেন। রথযাত্রার দিন তিনি ভক্তদের নিয়ে নাচতেন, আর বলতেন - 'জগন্নাথ চলেছেন মাসির বাড়ি।' একবার ভক্তরা জিজ্ঞেস করলেন, 'আপনি কে?' ঠাকুর হেসে বললেন - 'আমি জগন্নাথের ভাঁড়ারী।' মানে জগন্নাথের সংসার দেখাশোনা করার দায়িত্ব আমার। শেষ জীবনে কাশীপুরে যখন শরীর খুব খারাপ, তখনও বলতেন - 'নরেন, তুই জগন্নাথকে দেখেছিস? তিনি সাক্ষাৎ নারাযন। এবার আসি মায়ের কথায়। ১৯১১ সালে মা প্রথম পুরী যান। মন্দিরে ঢুকেই মা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সেবকরা জল ছিটিয়ে জ্ঞান ফেরান। জ্ঞান ফিরে মা বললেন - 'আহা! কি দেখলাম! জগন্নাথই আমার গদাই। আর মন্দিরের ভেতর সব আমার ছেলেমেয়ে।' মা পুরীতে ১ মাস ছিলেন। রোজ আনন্দবাজারের প্রসাদ খেতেন আর বলতেন - 'এই মহাপ্রসাদে জগন্নাথের হাতের ছোঁয়া আছে।' জয়রামবাটিতে ফিরেও মা ভক্তদের জগন্নাথের প্রসাদই দিতেন। বলতেন - 'জগন্নাথ আর আমি আলাদা নই। তিনি আমারও জগন্নাথ।' মা বলতেন - 'যার যেমন ভাব, তার কাছে তিনি তেমন। কেউ দেখে প্রভু, কেউ দেখে সন্তান।' তাই জগন্নাথ শুধু পুরীর মন্দিরে নেই। তিনি আছেন পুরীর মন্দিরে নেই তিনি আছেন প্রতিটা ভক্তের হৃদয়ে । কলকাতার বাগবাজারে বলরাম মন্দিরে যে রথ আছে... যে রথের দড়ি স্বয়ং ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দেবে টেনেছিলেন। বলরাম বসু ছিলেন ঠাকুরের অন্যতম গৃহী ভক্ত। ঠাকুর প্রায়ই তার বাগবাজারের বাড়িতে আসতেন। বলতেন - 'বলরামের বাড়ি মানে বৈকুণ্ঠ।' বলরামের বাড়িতেই প্রতি বছর রথযাত্রা হত। ঠাকুর এই রথ দেখতে আসতেন। আর শুধু দেখতেন না..." একবার রথযাত্রায় ঠাকুর এসেছে ঞ বলরাম বসুর বাড়ি। রথ বেরিয়েছে। ভক্তরা যখন রথের দড়ি ধরল, ঠাকুরও দড়ি ধরলেন। আর ঠাকুরের নিত্য। ঠাকুর গাইছেন - 'নদে টলমল টলমল করে গৌর প্রেমের হিল্লোলে'। আর ভক্তরা বলছেন - ঠাকুরের শরীরে তখন সাক্ষাৎ গৌরাঙ্গের ভাব। রথ একটুও নড়ছে না দেখে ঠাকুর নিজেই বললেন - 'একটু টান দে রে'। তারপর নিজে টেনে রথ চালালেন।" আজও বাগবাজারের বলরাম মন্দিরে সেই রথ আছে। প্রতি বছর আষাঢ় মাসে রথ বের হয়। অনেকে বলেন - 'এই রথের দড়িতে ঠাকুরের হাতের স্পর্শ লেগে আছে। তাই এখানে টান দিলে মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হয়।' ঠাকুর বলতেন - 'রথ মানে শরীর। আর রথের ভেতর যে জগন্নাথ, তিনি আত্মা।'" আধ্যাত্মিক ভিডিও ভালো লাগলে অনুগ্রহ করে চ্যানেলটি সঙ্গে যুক্ত থাকবেন আরো আধ্যাত্মিক ভিডিও পাওয়ার জন্য। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। জয় ঠাকুর জয় জগন্নাথ 🙏 #আধ্যাত্মিকতা #জগন্নাথদেব #রথযাত্রা #শ্রীরামকৃষ্ণের #ঠাকুর #ধর্মীয়#শ্রীরামকৃষ্ণপরমহংস#rathyatra #spirituality #devotional #youtube #shriramkrishna #shriramkrishnaparamhansa #youtube

ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের কিছু কথা - স্বামী ব্রহ্মানন্দ।

Gottesdienst am 19.07.2026 - Das Leben als Hausgenosse des Herrn

মনুষ্য জীবনের উদ্দেশ্য ~ স্বামী গৌতমানন্দ। আধ্যাত্মিক আলোচনা।

ঈশ্বর সাকার আবার নিরাকার।-স্বামী অভেদানন্দ মহারাজ।

জ্ঞানগঞ্জে যাওয়া কি সম্ভব? Mysteries of Shangrila, Gyanganj | Lens Kotha #podcast

অবশেষে ভয়ংকর তথ্য ফাঁস! সেই রাতে ২০ মিনিটে কি ঘটেছিলো? DB|Mojaffar

নবনির্মিত রামকৃষ্ণ মঠ, দক্ষিণেশ্বর। মন প্রাণ জুড়িয়ে যাবে।

'সীতা' ভারতীয় নারী আদর্শের মূর্ত রূপ।-স্বামী বিবেকানন্দ।

পুরীর জগন্নাথ সত্যি কি জাগ্রত? ইতিহাস কি বলছে #swamisarvapriyananda

RKM, Dakshineshwar, P-6

পুষণ আশ্রম | আধ্যাত্মিকতা, সাধনা ও শান্তির এক পবিত্র তীর্থ | হালিশহর 🙏

ভক্তি প্রসঙ্গ | স্বামী শুদ্ধিদানন্দ

ঈশ্বর সবার মধ্যে আছে তোমার অন্তরে তাঁকে দেখো।-স্বামী ভূতেশানন্দ মহারাজ।

ঈশ্বরের প্রতি আত্মসমর্পণ হলো জ্ঞানের লক্ষণ ও মুক্তি।

সমস্ত বিপদে এই ৩টি কথা মনে রাখুন | ৯৯% মানুষেরা এই সত্য জানে না|🎙️স্বামী ইশাত্মানন্দ মহারাজ। Wisdom

সেই রাতের ২০ মিনিটের ভয়ংকর ঘটনা ফাঁস! কি হয়েছিলো? DB|Mojaffar

চাঁদের হাটে দক্ষিণেশ্বর মঠে | Dakshineswar Ramakrishna Math | Swami Gautamanandaji Maharaj

শ্রী মা বলছেন, ঠাকুরের একটি ফটো নিজের কাছে রেখো, কষ্ট পেলে ঠাকুরকে জানিও প্রাণে শান্তি পাবে।

সচল জগন্নাথ শ্রীরামকৃষ্ণ।। স্বামী তত্বসারানন্দজী।। গোলপার্ক মিশন।।

